বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে তাকে পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে রাজ্যে প্রথমবারের মতো বিজেপি সরকার গঠনের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো। (The Times of India)
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবারই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন শুভেন্দু অধিকারী। আগামী শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে শুক্রবার সকালেই কলকাতায় পৌঁছান অমিত শাহ। বিমানবন্দর থেকে তিনি প্রথমে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পূজা দেন। পরে নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান এবং দুপুরে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হয়।
শুভেন্দু অধিকারীর জন্ম ১৯৭০ সালের ১৫ ডিসেম্বর, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। ১৯৯৫ সালে কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। পরে ২০০৬ সালে দক্ষিণ কাঁথি কেন্দ্র থেকে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৭-০৮ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন।
দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার পর ২০২০ সালে দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে তিনি জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনায় আসেন। এরপর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় লাভ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের অবস্থানে পৌঁছে যায়।
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী অধিকারী পরিবারের সদস্য। তার বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু এবং সৌমেন্দু অধিকারীও সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির এই উত্থানের কেন্দ্রে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন
শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে তাকে পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে রাজ্যে প্রথমবারের মতো বিজেপি সরকার গঠনের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো। (The Times of India) দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবারই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন শুভেন্দু অধিকারী। আগামী শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে শুক্রবার সকালেই কলকাতায় পৌঁছান অমিত শাহ। বিমানবন্দর থেকে তিনি প্রথমে
দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পূজা দেন। পরে নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান এবং দুপুরে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হয়। শুভেন্দু অধিকারীর জন্ম ১৯৭০ সালের ১৫ ডিসেম্বর, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। ১৯৯৫ সালে কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। পরে ২০০৬ সালে দক্ষিণ কাঁথি কেন্দ্র থেকে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৭-০৮ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন। দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার পর ২০২০ সালে দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। ২০২১
সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে তিনি জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনায় আসেন। এরপর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় লাভ করেন। একই সঙ্গে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের অবস্থানে পৌঁছে যায়। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী অধিকারী পরিবারের সদস্য। তার বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু এবং সৌমেন্দু অধিকারীও সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির এই উত্থানের কেন্দ্রে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত