সুন্দরবনের আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। টানা দুই দিনের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ বাহিনীটির তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানের নেপথ্যে:
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ মে থেকে বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন কোকিলমনি। অভিযান চলাকালে দস্যুরা কোস্ট গার্ডকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করলে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় বাহিনীটি। দীর্ঘক্ষণ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর তিন ডাকাতকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটককৃত ও উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম
আটক হওয়া ডাকাত সদস্যরা হলেন:
মেহেদী হাসান (২৫): মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।
রমজান শরীফ (১৯): মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।
এনায়েত (২৫): ভাঙ্গা, ফরিদপুর।
উদ্ধার করা হয়েছে:
৩টি একনলা বন্দুক ও ১টি দেশীয় পিস্তল।
৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি।
২টি ওয়াকিটকি ও ৪টি চার্জার।
জিম্মি দশা থেকে মুক্তি ও জনমনে স্বস্তি:
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে জেলে, মৌয়াল ও বাওয়ালিদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। উল্লেখ্য, গত ১৩ মে এই বাহিনীর হাত থেকেই ৪ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
স্থানীয় বনজীবীরা জানান, করিম শরীফ বাহিনীর ভয়ে তারা বনে প্রবেশ করতে শঙ্কিত ছিলেন। এই অভিযানের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
"সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে আমাদের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।" লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন, মিডিয়া কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বর্তমানে আটককৃত দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের 'অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড': বন্দুকযুদ্ধের পর কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর ৩ দস্যু গ্রেপ্তার
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের 'অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড': বন্দুকযুদ্ধের পর কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর ৩ দস্যু গ্রেপ্তার
সুন্দরবনের আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। টানা দুই দিনের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ বাহিনীটির তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের নেপথ্যে:গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ মে থেকে বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন কোকিলমনি। অভিযান চলাকালে দস্যুরা কোস্ট গার্ডকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলিবর্ষণ শুরু করলে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি
চালায় বাহিনীটি। দীর্ঘক্ষণ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর তিন ডাকাতকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।আটককৃত ও উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম আটক হওয়া ডাকাত সদস্যরা হলেন:মেহেদী হাসান (২৫): মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।রমজান শরীফ (১৯): মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।এনায়েত (২৫): ভাঙ্গা, ফরিদপুর। উদ্ধার করা হয়েছে:৩টি একনলা বন্দুক ও ১টি দেশীয় পিস্তল।৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি।২টি ওয়াকিটকি ও ৪টি চার্জার। জিম্মি দশা থেকে মুক্তি ও জনমনে স্বস্তি:প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই বাহিনীটি দীর্ঘদিন ধরে জেলে, মৌয়াল ও বাওয়ালিদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। উল্লেখ্য,
গত ১৩ মে এই বাহিনীর হাত থেকেই ৪ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। স্থানীয় বনজীবীরা জানান, করিম শরীফ বাহিনীর ভয়ে তারা বনে প্রবেশ করতে শঙ্কিত ছিলেন। এই অভিযানের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। "সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে আমাদের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।" লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন, মিডিয়া কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। বর্তমানে আটককৃত দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত