মীর মোশাররফ হোসেন : সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে সরকারি রাস্তা দখল ও উন্নয়ন কাজে সন্ত্রাসী বাধার ঘটনায় নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই অবৈধ স্থাপনাগুলোকে রক্ষাকবচ দিয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তারা প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে উচ্ছেদ কার্যক্রম বারবার ঠেকিয়ে দিয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যেদিন রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয়, তার আগের দিন থেকেই কিছু অচেনা লোকজন ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, পরিকল্পিতভাবেই বাইরের সন্ত্রাসীদের এনে উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে।
একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এটা হঠাৎ কোনো ঘটনা না। আগে থেকেই সব প্ল্যান করা ছিল। যারা দখল করে আছে, তারা চায় না রাস্তা বড় হোক, কারণ তাহলে তাদের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে যাবে। ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
সুশীল সমাজের সদস্যরা বলছেন, শুধু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যথেষ্ট নয়, বরং এই ঘটনার মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাই এখন সবচেয়ে জরুরি। সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের।
একজন অভিভাবক বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যায়। রাস্তা এতটাই সরু হয়ে গেছে যে বড় গাড়ি এলে আতঙ্কে থাকতে হয়। এখন আবার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য এটা তো মেনে নেওয়া যায় না।
এ ধরনের ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটলেও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা বা গ্রেফতার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, যদি এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, শুধু মাঠ পর্যায়ের কিছু লোক নয়, এর পেছনে থাকা মূল পরিকল্পনাকারীদেরও চিহ্নিত করতে হবে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত না হলে তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে।
সরকারি রাস্তা সিন্ডিকেটের হাতে : 'নিরাপদ দূরত্বে' প্রশাসন
সরকারি রাস্তা সিন্ডিকেটের হাতে : 'নিরাপদ দূরত্বে' প্রশাসন
মীর মোশাররফ হোসেন : সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে সরকারি রাস্তা দখল ও উন্নয়ন কাজে সন্ত্রাসী বাধার ঘটনায় নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই অবৈধ স্থাপনাগুলোকে রক্ষাকবচ দিয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তারা প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে উচ্ছেদ কার্যক্রম বারবার ঠেকিয়ে দিয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যেদিন রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয়, তার আগের দিন থেকেই কিছু অচেনা লোকজন ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, পরিকল্পিতভাবেই বাইরের সন্ত্রাসীদের এনে উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এটা হঠাৎ কোনো ঘটনা না। আগে থেকেই সব প্ল্যান করা ছিল। যারা
দখল করে আছে, তারা চায় না রাস্তা বড় হোক, কারণ তাহলে তাদের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে যাবে। ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সুশীল সমাজের সদস্যরা বলছেন, শুধু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যথেষ্ট নয়, বরং এই ঘটনার মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাই এখন সবচেয়ে জরুরি। সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। একজন অভিভাবক বলেন, আমাদের ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যায়। রাস্তা এতটাই সরু হয়ে গেছে যে বড় গাড়ি এলে আতঙ্কে থাকতে হয়।
এখন আবার সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য এটা তো মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটলেও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা বা গ্রেফতার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, যদি এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, শুধু মাঠ পর্যায়ের কিছু লোক নয়, এর পেছনে থাকা মূল পরিকল্পনাকারীদেরও চিহ্নিত করতে হবে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত না হলে তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত