দিনের ১১টার পর থেকেই পাল্লা দিয়ে বাড়ে যানজট। যানবাহন সহ পথচলা ও দায় হয়ে পড়ে মানুষের। ৫ মিনিটের সড়কে যানবাহনকে গুণতে হয় ৪০ মিনিট।
এমন অবস্থা চলছে উত্তরের বাণিজ্যিক শহর নীলফামারীর সৈয়দপুরের পাঁচমাথা মোড়ে। শহরের অন্যান্য মোড় ও সড়কে একই অবস্থা। দিনের পাশাপাশি রাত ১০ টা পর্যন্ত সমান তালে যানজটে অতিষ্ঠ সবাই।
শহরের পাঁচমাথা মোড়টি পাঁচটি সড়কের সংযোগস্থল। সাথে রেলগেট। দিনে-রাতে ১২টি ট্রেন চলাচলের সময় গেট বন্ধ হয়। অন্যান্য শহর যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সৈয়দপুর শহরের পাঁচমাথা মোড় থাকে ভয়াবহ যানজটে। রাতে সাধারণত ট্রাফিক-পুলিশ থাকার কথা নয়। কিন্ত পাঁচ মাথা মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও তা অতি সামান্য । এর ফলে যানবাহন সামাল দিতে পারছেন না তাঁরা।
এমন অবস্থা চলছে উত্তরের বাণিজ্যিক শহর নীলফামারীর সৈয়দপুরের পাঁচমাথা মোড়ে। শহরের অন্যান্য মোড় ও সড়কে একই অবস্থা। দিনের পাশাপাশি রাত ১০ টা পর্যন্ত সমান তালে যানজটে অতিষ্ঠ সবাই।
শহরের পাঁচমাথা মোড়টি পাঁচটি সড়কের সংযোগস্থল। সাথে রেলগেট। দিনে-রাতে ১২টি ট্রেন চলাচলের সময় গেট বন্ধ হয়। অন্যান্য শহর যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সৈয়দপুর শহরের পাঁচমাথা মোড় থাকে ভয়াবহ যানজটে। রাতে সাধারণত ট্রাফিক-পুলিশ থাকার কথা নয়। কিন্ত পাঁচ মাথা মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও তা অতি সামান্য । এর ফলে যানবাহন সামাল দিতে পারছেন না তাঁরা।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে শহরের সড়কগুলোতে দীর্ঘদিন তীব্র যানজটের সমস্যার যেনো কোনো সমাধানই নেই। এমন প্রশ্ন এখন পথচারিসহ বিভিন্ন যানের চালক ও যাত্রীদের। উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যিক ও শিল্পের শহর সৈয়দপুরের গুরুত্ব অনেক।
তারপরেও দীর্ঘদিনেও শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রশস্তকরণ করাসহ পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত নির্মিত না হওয়ায় ও সড়কগুলো ওয়ানওয়ে না করায় প্রতিনিয়ত পথচারী, বিভিন্ন যানের চালক, যাত্রী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ সাধারন মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
রিকশা চালক শমসের আলী বিরক্ত হয়ে বলেন, সৈয়দপুরে মানুষের চেয়ে রিকশাই বেশি। এ শহরে কেবল পৌরসভার রিকশায় নয়,প্রতিদিনই বাইরের রিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যান শহরে এসে ঢুকছে। আয়তনে ছোট্ট শহর হলেও বানিজ্যিক শহর হওয়ায় প্রায় প্রতিনিনই এশহরে ঢুকছে মানুষ। আর একারনেই যানযট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এনিয়ে সৈয়দপুর ট্রাফিক কার্যালয়ের পরিদর্শক (টিআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, আসলেই শহরে যানবাহনের চাপ অনেক বেশি। কারন সড়ক প্রশস্ত নয়,তাছাড়া ফুটপাত দখলমুক্ত করা যাচ্ছে না। মোড়গুলো বিস্তৃত নয়। তবুও আমরা জনবল সঙ্কটেও আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যানজট নিরসন করতে।
সৈয়দপুর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন বলেন, শহরের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী বড়জোড় তিন হাজার যানবাহন চলাচল করতে পারে। সেখানে কেবল সৈয়দপুর পৌরসভার পার্কিং চার্জ নিয়ে ২০ হাজার বিভিন্ন ধরণের যানবাহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে পৌরকর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, সৈয়দপুর শহরে যানজটের অন্যতম কারণ হলো ব্যবসায়িরা সড়কের সাথে অথবা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছেন। শুধু মাত্র, যানজটের কারণেই বিমানের যাত্রীরা ফ্লাইট মিস করেন। এমনকি দমকল বাহিনীর গাড়ি আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যেতে পারছেন না সময় মতো। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরা ও যানজটের কারণে চরম বিপাকে পড়ছেন।
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক নুর-ই আলম সিদ্দিকী যানজটের কথা স্বীকার করে বলেন, দিনের বেলা ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ করা হয়েছে।
এসব নিষেধাজ্ঞা মানতে চায় না চালকরা। এছাড়া শহরের অপ্রশস্ত সড়ক ও বাইরে থেকে আসা যানবাহনে শহরে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যানজট নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও পুলিশ প্রশাসনের মিটিং করা হয়েছে। আশা করছি অতি দ্রুত যানজটের দুর্ভোগ থেকে সকলেই রেহাই পাবেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তারপরেও দীর্ঘদিনেও শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রশস্তকরণ করাসহ পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত নির্মিত না হওয়ায় ও সড়কগুলো ওয়ানওয়ে না করায় প্রতিনিয়ত পথচারী, বিভিন্ন যানের চালক, যাত্রী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ সাধারন মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
রিকশা চালক শমসের আলী বিরক্ত হয়ে বলেন, সৈয়দপুরে মানুষের চেয়ে রিকশাই বেশি। এ শহরে কেবল পৌরসভার রিকশায় নয়,প্রতিদিনই বাইরের রিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যান শহরে এসে ঢুকছে। আয়তনে ছোট্ট শহর হলেও বানিজ্যিক শহর হওয়ায় প্রায় প্রতিনিনই এশহরে ঢুকছে মানুষ। আর একারনেই যানযট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এনিয়ে সৈয়দপুর ট্রাফিক কার্যালয়ের পরিদর্শক (টিআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, আসলেই শহরে যানবাহনের চাপ অনেক বেশি। কারন সড়ক প্রশস্ত নয়,তাছাড়া ফুটপাত দখলমুক্ত করা যাচ্ছে না। মোড়গুলো বিস্তৃত নয়। তবুও আমরা জনবল সঙ্কটেও আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যানজট নিরসন করতে।
সৈয়দপুর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন বলেন, শহরের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী বড়জোড় তিন হাজার যানবাহন চলাচল করতে পারে। সেখানে কেবল সৈয়দপুর পৌরসভার পার্কিং চার্জ নিয়ে ২০ হাজার বিভিন্ন ধরণের যানবাহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে পৌরকর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, সৈয়দপুর শহরে যানজটের অন্যতম কারণ হলো ব্যবসায়িরা সড়কের সাথে অথবা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছেন। শুধু মাত্র, যানজটের কারণেই বিমানের যাত্রীরা ফ্লাইট মিস করেন। এমনকি দমকল বাহিনীর গাড়ি আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যেতে পারছেন না সময় মতো। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরা ও যানজটের কারণে চরম বিপাকে পড়ছেন।
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক নুর-ই আলম সিদ্দিকী যানজটের কথা স্বীকার করে বলেন, দিনের বেলা ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ করা হয়েছে।
এসব নিষেধাজ্ঞা মানতে চায় না চালকরা। এছাড়া শহরের অপ্রশস্ত সড়ক ও বাইরে থেকে আসা যানবাহনে শহরে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যানজট নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও পুলিশ প্রশাসনের মিটিং করা হয়েছে। আশা করছি অতি দ্রুত যানজটের দুর্ভোগ থেকে সকলেই রেহাই পাবেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব