মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন-এর আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায়।
শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আসামি কাস্টডিতে থাকা অবস্থায় বিচারকের সামনে বা তার অনুমতি ছাড়া কথা বলার এখতিয়ার নেই। অথচ প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে আনা-নেওয়ার সময় বিভিন্ন মন্তব্য করছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। এতে মামলার বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে এবং মামলাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা হতে পারে। এ অবস্থায় আসামিদের আদালতে তোলা ও নামানোর সময় তারা যেন কথা বলতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালতের প্রতি আবেদন জানান তিনি।
আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে আসামি যাতে আদালতে তোলা, নামানোর সময় কথা বলতে না পারে সেটা নিশ্চিতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এদিন সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণের এ পর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।
সোহেলের কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা, পুলিশকে কড়া নির্দেশ
সোহেলের কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা, পুলিশকে কড়া নির্দেশ
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন-এর আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায়। শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আসামি কাস্টডিতে থাকা অবস্থায় বিচারকের সামনে বা তার অনুমতি ছাড়া কথা
বলার এখতিয়ার নেই। অথচ প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে আনা-নেওয়ার সময় বিভিন্ন মন্তব্য করছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। এতে মামলার বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে এবং মামলাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা হতে পারে। এ অবস্থায় আসামিদের আদালতে তোলা ও নামানোর সময় তারা যেন কথা বলতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালতের প্রতি আবেদন জানান তিনি। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে আসামি যাতে আদালতে
তোলা, নামানোর সময় কথা বলতে না পারে সেটা নিশ্চিতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এদিন সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণের এ পর্যায়ে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত