খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ করে গুম করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার প্রথম পক্ষের ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। সোমবার (১১ মে) খুলনায় আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীর দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি)।
বিয়ের পর থেকেই বিরোধ ও নির্যাতন:
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অনামিকা দাস জানান, দীর্ঘ ১৪ বছর একা থাকার পর ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহার সাথে গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি কালী শংকরের প্রথম পক্ষের ছেলে চিকিৎসক হিমেল সাহা এবং পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ। বিয়ের পর থেকেই তারা অনামিকাকে মানসিকভাবে নির্যাতন, হুমকি এবং বাড়িতে প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছিলেন।
কৌশলে অপহরণ ও গুমের শঙ্কা:
অনামিকা অভিযোগ করেন, গত ১৬ এপ্রিল অত্যন্ত সুকৌশলে তার স্বামীকে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে জোরপূর্বক খুলনা থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন।
তিনি বলেন:
"আমার স্বামীকে বর্তমানে অসুস্থ দেখিয়ে ঢাকায় আটকে রাখা হয়েছে। ভয় পাচ্ছি, তারা জোরপূর্বক তার কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং তাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।"
আদালতের হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনের সহায়তা কামনা:
এই ঘটনায় অনামিকা দাস ইতিমধ্যে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন (সিআর নং- ৯৪১/২৬)। আদালত থেকে স্বামীর সন্ধানে সার্চ ওয়ারেন্ট বা তল্লাশি পরোয়ানা জারি করা হলেও, এখন পর্যন্ত কালী শংকর সাহাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা দাস প্রশাসনের প্রতি তিনটি জরুরি দাবি জানান:
উদ্ধার: কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে দ্রুত উদ্ধার করে জনসমক্ষে আনা।
নিরাপত্তা: তার স্বামীর জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা: তাকে যেন অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ।
বিষয়টি আড়াল করতেই তাকে পরিকল্পিতভাবে গুম করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পত্তি লিখে নিতে ব্যবসায়ীকে গুমের চেষ্টা, ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ
সম্পত্তি লিখে নিতে ব্যবসায়ীকে গুমের চেষ্টা, ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ
খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ করে গুম করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার প্রথম পক্ষের ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। সোমবার (১১ মে) খুলনায় আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীর দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি)। বিয়ের পর থেকেই বিরোধ ও নির্যাতন:সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অনামিকা দাস জানান, দীর্ঘ ১৪ বছর একা থাকার পর ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহার সাথে গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি কালী শংকরের প্রথম পক্ষের ছেলে চিকিৎসক হিমেল সাহা এবং
পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ। বিয়ের পর থেকেই তারা অনামিকাকে মানসিকভাবে নির্যাতন, হুমকি এবং বাড়িতে প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছিলেন। কৌশলে অপহরণ ও গুমের শঙ্কা:অনামিকা অভিযোগ করেন, গত ১৬ এপ্রিল অত্যন্ত সুকৌশলে তার স্বামীকে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে জোরপূর্বক খুলনা থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। তিনি বলেন:"আমার স্বামীকে বর্তমানে অসুস্থ দেখিয়ে ঢাকায় আটকে রাখা হয়েছে। ভয় পাচ্ছি, তারা জোরপূর্বক তার কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং তাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।" আদালতের হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনের সহায়তা কামনা:এই ঘটনায় অনামিকা দাস ইতিমধ্যে
আদালতে মামলা দায়ের করেছেন (সিআর নং- ৯৪১/২৬)। আদালত থেকে স্বামীর সন্ধানে সার্চ ওয়ারেন্ট বা তল্লাশি পরোয়ানা জারি করা হলেও, এখন পর্যন্ত কালী শংকর সাহাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা দাস প্রশাসনের প্রতি তিনটি জরুরি দাবি জানান:উদ্ধার: কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে দ্রুত উদ্ধার করে জনসমক্ষে আনা।নিরাপত্তা: তার স্বামীর জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা: তাকে যেন অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ। বিষয়টি আড়াল করতেই তাকে পরিকল্পিতভাবে গুম করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত