পাহাড়ী ঢল আর টানা বর্ষণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতেও পানি বাড়ছে। এতে জেলা সদর, কাজীপুর, চৌহালী, বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলায় নদীতীরে দেখা দিয়েছে ভাঙন।
এর মধ্যে এসব এলাকার বেশকিছু আবাদি জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
এ ছাড়া ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে নদীতীরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। আর সাথে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে দেখা দিয়েছে দুর্ভোগ।
এর মধ্যে এসব এলাকার বেশকিছু আবাদি জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
এ ছাড়া ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে নদীতীরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। আর সাথে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে দেখা দিয়েছে দুর্ভোগ।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন বলেন, শনিবার ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধের হার্ডপয়েন্ট এলাকায় ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১৪২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান , নদীতে পানি বাড়ার কারণে প্রবল স্রোত বইছে। ফলে নদীতীরের কিছু কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সদর উপজেলার ভাটপিয়ারী ও বাহুকা এলাকায় জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের করা হয়েছে এবং ৮০ কিমি বাঁধের কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান আছেকিনা তা নির্ধারণ করতে মনিটরিং করা হচ্ছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব