পাঠ্যক্রম, শিক্ষানীতি, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা, দক্ষতা, মূল্যায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও বিবিধ বিষয়ে মোট ৩০ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা পেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে এ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ, কল্যাণমুখী ও সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে পুনর্গঠন করা জরুরি। ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা রাজনৈতিক বিভাজন ও শোষণ-বঞ্চনার কারণে শিক্ষা খাত কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন পায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার ২০১০ সালের শিক্ষানীতি ও ২০২২ সালের শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষাকে বিকৃত করে ইসলামের পরিপন্থি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হয়ে জনগণকে হতাশ করেছে।
তিনি বলেন, “একটি মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত, যা নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। ইসলামি আদর্শই হলো একমাত্র সমাধান।” পাশাপাশি তিনি জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের আহ্বান জানান।
উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবনা
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা কমিশন গঠন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তকরণ, ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ে আধুনিক শিক্ষাক্রম, এসটিইএম শিক্ষায় অগ্রাধিকার, উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক শিক্ষা, নারী শিক্ষার প্রসার, শতভাগ আবাসন নিশ্চিতকরণ, গবেষণামুখী উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, ছাত্ররাজনীতির সুষ্ঠু চর্চা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অন্তর্ভুক্তি, উপজাতি শিক্ষার উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিভাবক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি—এমন নানা বিষয় ৩০ দফা প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শিবির সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, এসব সংস্কার বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক ত্রুটি দূর হয়ে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে উঠবে।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ, কল্যাণমুখী ও সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে পুনর্গঠন করা জরুরি। ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা রাজনৈতিক বিভাজন ও শোষণ-বঞ্চনার কারণে শিক্ষা খাত কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন পায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার ২০১০ সালের শিক্ষানীতি ও ২০২২ সালের শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষাকে বিকৃত করে ইসলামের পরিপন্থি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হয়ে জনগণকে হতাশ করেছে।
তিনি বলেন, “একটি মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত, যা নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। ইসলামি আদর্শই হলো একমাত্র সমাধান।” পাশাপাশি তিনি জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের আহ্বান জানান।
উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবনা
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা কমিশন গঠন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তকরণ, ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ে আধুনিক শিক্ষাক্রম, এসটিইএম শিক্ষায় অগ্রাধিকার, উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক শিক্ষা, নারী শিক্ষার প্রসার, শতভাগ আবাসন নিশ্চিতকরণ, গবেষণামুখী উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, ছাত্ররাজনীতির সুষ্ঠু চর্চা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অন্তর্ভুক্তি, উপজাতি শিক্ষার উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিভাবক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি—এমন নানা বিষয় ৩০ দফা প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শিবির সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, এসব সংস্কার বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক ত্রুটি দূর হয়ে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে উঠবে।