ঐতিহাসিক বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে এবারও বাগেরহাট জেলার প্রধান ঈদ-উল-আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে এখানে পর পর ৩টি জামাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা আর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পুরো জেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ।
ষাটগম্বুজ মসজিদের জামাত সূচি:
মসজিদের ভেতরে একসঙ্গে দেড় হাজার এবং বাইরে ৫০০ জনসহ প্রতি জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেবেন। ৩টি জামাতে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন।
প্রথম জামাত (সকাল ৭:০০ টা): ইমামতি করবেন খানজাহান (রহ.) মাজার সংলগ্ন মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো: খালিদ।
দ্বিতীয় জামাত (সকাল ৮:০০ টা): ইমামতি করবেন ষাটগম্বুজ মসজিদের ভারপ্রাপ্ত ইমাম ও খতিব মো: নাসির উদ্দিন।
তৃতীয় জামাত (সকাল ৯:০০ টা): ইমামতি করবেন বায়তুশ শরফ এতিমখানা ও মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা মো: এনামুল হক।
জেলার অন্যান্য প্রধান জামাত:
ষাটগম্বুজ মসজিদ ছাড়াও বাগেরহাটের পুরাতন কোর্ট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, আলীয়া মাদ্রাসা, কালেক্টরেট, হরিণখানা, সরকারি পিসি কলেজ, খানজাহান আলী (রহ) এর মাজার-দরহা মসজিদসহ জেলা ও উপজেলার অধিকাংশ প্রধান মসজিদে সকাল ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বক্তব্য:
বাগেরহাটের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান মো. যায়েদ নিশ্চিত করেছেন যে, মুসল্লিদের সুবিধার্থে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ঐতিহাসিক এই মসজিদে ৩টি জামাতই সুন্দরভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ ও নির্দেশনা:
ঈদ উদযাপনকে আনন্দময় করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
ঝলমলে আলোকসজ্জা: ঈদ উপলক্ষ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গণে রঙিন আলোকসজ্জা করা হয়েছে, যা রাতে এক অপরূপ ও ভিন্ন আবহ তৈরি করছে।উন্নত খাবার পরিবেশন: ঈদের দিন সরকারি হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশু পরিবার, এতিমখানা ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
বিনামূল্যে প্রবেশ: ঈদের দিন দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদন ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ থাকছে।পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: জেলা প্রশাসক সকলকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পশু কোরবানি করা, চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং কোরবানির পর দ্রুত বর্জ্য পরিষ্কার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
ষাটগম্বুজে ঈদের ৩ জামাত: বাগেরহাটে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক প্রস্তুতি
ষাটগম্বুজে ঈদের ৩ জামাত: বাগেরহাটে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক প্রস্তুতি
ঐতিহাসিক বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে এবারও বাগেরহাট জেলার প্রধান ঈদ-উল-আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে এখানে পর পর ৩টি জামাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা আর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পুরো জেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। ষাটগম্বুজ মসজিদের জামাত সূচি:মসজিদের ভেতরে একসঙ্গে দেড় হাজার এবং বাইরে ৫০০ জনসহ প্রতি জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেবেন। ৩টি জামাতে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন। প্রথম জামাত (সকাল ৭:০০ টা): ইমামতি করবেন খানজাহান (রহ.) মাজার সংলগ্ন মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো: খালিদ। দ্বিতীয় জামাত (সকাল ৮:০০ টা): ইমামতি করবেন ষাটগম্বুজ মসজিদের ভারপ্রাপ্ত ইমাম ও খতিব মো: নাসির উদ্দিন।
তৃতীয় জামাত (সকাল ৯:০০ টা): ইমামতি করবেন বায়তুশ শরফ এতিমখানা ও মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা মো: এনামুল হক। জেলার অন্যান্য প্রধান জামাত:ষাটগম্বুজ মসজিদ ছাড়াও বাগেরহাটের পুরাতন কোর্ট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, আলীয়া মাদ্রাসা, কালেক্টরেট, হরিণখানা, সরকারি পিসি কলেজ, খানজাহান আলী (রহ) এর মাজার-দরহা মসজিদসহ জেলা ও উপজেলার অধিকাংশ প্রধান মসজিদে সকাল ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বক্তব্য:বাগেরহাটের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান মো. যায়েদ নিশ্চিত করেছেন যে, মুসল্লিদের সুবিধার্থে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ঐতিহাসিক এই মসজিদে ৩টি জামাতই সুন্দরভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ ও নির্দেশনা:ঈদ উদযাপনকে আনন্দময় করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: ঝলমলে
আলোকসজ্জা: ঈদ উপলক্ষ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গণে রঙিন আলোকসজ্জা করা হয়েছে, যা রাতে এক অপরূপ ও ভিন্ন আবহ তৈরি করছে।উন্নত খাবার পরিবেশন: ঈদের দিন সরকারি হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশু পরিবার, এতিমখানা ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিনামূল্যে প্রবেশ: ঈদের দিন দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদন ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ থাকছে।পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: জেলা প্রশাসক সকলকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পশু কোরবানি করা, চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং কোরবানির পর দ্রুত বর্জ্য পরিষ্কার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরো এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত