দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছান। দেশে ফেরার পর গতকাল তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
আগমনের পরই শুক্রবার প্রথম কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তিনি। বিকেলে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এর আগে তিনি তার পিতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তিনি গুলশানের বাসভবন থেকে শেরেবাংলা নগরে তাঁর পিতার কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো হবে। স্মৃতিসৌধ এলাকায় এ উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জুমার নামাজের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেই অনুযায়ী গণপূর্ত অধিদফতর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করেছে।
তারেক রহমানের আগমনে সাভারে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য শুক্রবার থেকে মহাসড়কে অবস্থান নেয়ার পরিকল্পনা করছেন তারা।
নিরাপত্তার কারণে স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশে বাড়তি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, নিরাপত্তায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের সমবগম হবে বলে তারা জানান।
আগমনের পরই শুক্রবার প্রথম কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তিনি। বিকেলে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এর আগে তিনি তার পিতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তিনি গুলশানের বাসভবন থেকে শেরেবাংলা নগরে তাঁর পিতার কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো হবে। স্মৃতিসৌধ এলাকায় এ উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জুমার নামাজের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেই অনুযায়ী গণপূর্ত অধিদফতর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করেছে।
তারেক রহমানের আগমনে সাভারে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য শুক্রবার থেকে মহাসড়কে অবস্থান নেয়ার পরিকল্পনা করছেন তারা।
নিরাপত্তার কারণে স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশে বাড়তি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, নিরাপত্তায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের সমবগম হবে বলে তারা জানান।