হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার ও আশুলিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ওষুধের দোকান। এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ওষুধ, নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য।
সচেতন মহলে অভিযোগ উঠেছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব অবৈধ ব্যবসা করে আঙুল ফুলে ফেঁপে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকার মালিক বুনে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক দোকানেই নেই বৈধ লাইসেন্স কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট। ফলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ না পেয়ে ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। এছাড়াও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কম দামে নিম্নমানের বা নকল ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করছে, সেই সাথে হোমিওপ্যাথি ওষুধ বিক্রি করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ রয়েছে যে,খাদ্য সামগ্রী ও কসমেটিকস প্রসাধনীসহ প্রায় সবধরনের পণ্যই ভেজাল ও নকল। এসবকিছু দেখে মনে হয় নকল ও ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ি থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরব ভূমিকা পালন করছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল ওষুধ সেবনে রোগ সারার পরিবর্তে জটিলতা বাড়তে পারে, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, নিয়মিত অভিযান ও লাইসেন্সবিহীন দোকান বন্ধ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ওষুধের দোকান ও ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ি
সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ওষুধের দোকান ও ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ি
হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার ও আশুলিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে ওষুধের দোকান। এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ওষুধ, নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য। সচেতন মহলে অভিযোগ উঠেছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব অবৈধ ব্যবসা করে আঙুল ফুলে ফেঁপে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকার মালিক বুনে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক দোকানেই নেই বৈধ লাইসেন্স কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট।
ফলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ না পেয়ে ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। এছাড়াও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কম দামে নিম্নমানের বা নকল ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করছে, সেই সাথে হোমিওপ্যাথি ওষুধ বিক্রি করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। আরও অভিযোগ রয়েছে যে,খাদ্য সামগ্রী ও কসমেটিকস প্রসাধনীসহ প্রায় সবধরনের পণ্যই ভেজাল ও নকল। এসবকিছু দেখে মনে হয় নকল ও ভেজাল পণ্যের ছড়াছড়ি
থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরব ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল ওষুধ সেবনে রোগ সারার পরিবর্তে জটিলতা বাড়তে পারে, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, নিয়মিত অভিযান ও লাইসেন্সবিহীন দোকান বন্ধ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত