সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলামকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে দলিলে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্ত্রের মুখে জোর করে স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নিজেই।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের খুলনা রোড এলাকায় অবস্থিত বুশরা গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার দুপুর ২টার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা গোপীনাথপুর এলাকায় অবস্থিত বুশরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। পরে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কয়েকটি দলিলে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শেখ শরিফুল ইসলাম বলেন, আমাকে ঘিরে ১০ থেকে ১৫ জন লোক অবস্থান নেয়। তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দলিলে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। আমি আতঙ্কিত অবস্থায় ছিলাম। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, জীবন বাঁচানোর জন্যই আমাকে স্বাক্ষর করতে হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনার নেতৃত্ব দেন শহর ছাত্রদলের নেতা রায়হান মাসুদ। এছাড়া সাতক্ষীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক নাসির উদ্দীনের সহকারী জসিম উদ্দিন অন্তু, কলারোয়া থানা কৃষকদল নেতা ও সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান, সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রকি এবং আরও কয়েকজন এতে জড়িত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল ইসলাম বলেন, দলিলে স্বাক্ষর নেওয়ার পর তাকে কলারোয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ কলারোয়া থানায় যোগাযোগ করে। এরপর মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে তাকে সদর থানায় এনে রেখে যাওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা শহরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শেখ শরিফুল ইসলাম।
সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যানকে অপহরণ করে দলিলে স্বাক্ষরের অভিযোগ
সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যানকে অপহরণ করে দলিলে স্বাক্ষরের অভিযোগ
সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলামকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে দলিলে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্ত্রের মুখে জোর করে স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নিজেই। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের খুলনা রোড এলাকায় অবস্থিত বুশরা গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার দুপুর ২টার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা গোপীনাথপুর এলাকায় অবস্থিত বুশরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে তাকে জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। পরে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কয়েকটি দলিলে স্বাক্ষর ও টিপসই নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। শেখ শরিফুল ইসলাম বলেন, আমাকে ঘিরে ১০ থেকে ১৫ জন লোক অবস্থান নেয়। তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দলিলে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। আমি আতঙ্কিত অবস্থায় ছিলাম। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, জীবন বাঁচানোর জন্যই আমাকে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনার নেতৃত্ব দেন শহর ছাত্রদলের নেতা রায়হান মাসুদ। এছাড়া সাতক্ষীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক নাসির উদ্দীনের সহকারী জসিম উদ্দিন অন্তু, কলারোয়া থানা কৃষকদল নেতা ও সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান, সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রকি এবং আরও কয়েকজন এতে জড়িত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল ইসলাম বলেন,
দলিলে স্বাক্ষর নেওয়ার পর তাকে কলারোয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ কলারোয়া থানায় যোগাযোগ করে। এরপর মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে তাকে সদর থানায় এনে রেখে যাওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা শহরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শেখ শরিফুল ইসলাম।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত