মীর মোশাররফ হোসেন : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে একটি পরিবারের সদস্য ও সংবাদকর্মীকে দেশান্তর করার হুমকি, প্রাণনাশ এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম পরিতোষ কুমার বৈদ্য। উপজেলার সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মাসুমের বিরুদ্ধে গত এক সপ্তাহ ধরে মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে এই অনবরত হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আড়পাঙ্গাসিয়া গ্রামের এক প্রতিবন্ধী শিক্ষকের মেয়ের সঙ্গে ‘মাসুম কম্পিউটার অ্যান্ড ফটোস্ট্যাট’ দোকানের মালিক মাসুমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে কিছুদিন আগে গভীর রাতে ওই মেয়েটিকে তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী মাসুমকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় মুচলেকা নিয়ে মাসুমকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরিতোষ কুমার বৈদ্য জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি মানবিক কারণে তাদের আইনি ও সামাজিক সহযোগিতা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুম তার কাছে ৪০ হাজার টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দাবি করে। এই অনৈতিক দাবি পূরণ করতে অস্বীকৃতি জানালে মাসুম তাকে দেশছাড়া করার হুমকি দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ভাষায় বার্তা পাঠাতে শুরু করে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরিতোষ শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও মাসুমের হুমকি থামেনি।
অভিযুক্ত মাসুম জানায় মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের যেসব স্ক্রিনশট ও রেকর্ডের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমার আইডি নয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্ত মাসুমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ শ্যামনগর শাখার আহ্বায়ক অনাথ ম-ল। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে এভাবে হুমকি ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া সাইবার নিরাপত্তা আইন ও দ-বিধির ফৌজদারি ধারা অনুযায়ী কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান বলেন, “সংবাদকর্মী পরিতোষ বৈদ্যের জিডির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরপরও যদি তাকে নতুন করে কোনো হুমকি দেওয়া হয়ে থাকে, তবে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি পরিবারকে দেশান্তর ও প্রাণনাশের হুমকি
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি পরিবারকে দেশান্তর ও প্রাণনাশের হুমকি
মীর মোশাররফ হোসেন : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে একটি পরিবারের সদস্য ও সংবাদকর্মীকে দেশান্তর করার হুমকি, প্রাণনাশ এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম পরিতোষ কুমার বৈদ্য। উপজেলার সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মাসুমের বিরুদ্ধে গত এক সপ্তাহ ধরে মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে এই অনবরত হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আড়পাঙ্গাসিয়া গ্রামের এক প্রতিবন্ধী শিক্ষকের মেয়ের সঙ্গে ‘মাসুম কম্পিউটার অ্যান্ড ফটোস্ট্যাট’ দোকানের মালিক মাসুমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে কিছুদিন আগে গভীর রাতে ওই মেয়েটিকে তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী মাসুমকে হাতেনাতে
ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় মুচলেকা নিয়ে মাসুমকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিতোষ কুমার বৈদ্য জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি মানবিক কারণে তাদের আইনি ও সামাজিক সহযোগিতা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুম তার কাছে ৪০ হাজার টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দাবি করে। এই অনৈতিক দাবি পূরণ করতে অস্বীকৃতি জানালে মাসুম তাকে দেশছাড়া করার হুমকি দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ভাষায় বার্তা পাঠাতে শুরু করে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরিতোষ শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও মাসুমের হুমকি থামেনি। অভিযুক্ত মাসুম জানায় মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের যেসব স্ক্রিনশট ও
রেকর্ডের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমার আইডি নয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।” এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্ত মাসুমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ শ্যামনগর শাখার আহ্বায়ক অনাথ ম-ল। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে এভাবে হুমকি ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া সাইবার নিরাপত্তা আইন ও দ-বিধির ফৌজদারি ধারা অনুযায়ী কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান বলেন, “সংবাদকর্মী পরিতোষ বৈদ্যের জিডির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরপরও যদি তাকে নতুন করে কোনো হুমকি দেওয়া হয়ে থাকে, তবে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত