সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরাসরি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করার কথা থাকলেও তা বিতরণ না করে ভ্যানে করে অন্যত্র সরিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা মোঃমনির ও দুই উপ-সহকারী মো:আবজাল হোসেন,মেহেদি হাসান বিরুদ্ধে।
এনিয়ে গতকাল বুধবার বর্তমান সাতক্ষীরা সহ বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর সদরের তুজলপুরে অজ্ঞাত স্থান ও পুরাতন ছবি ব্যবহার করে কৃষি উপকরণ বিতরণ হয়েছে এমর্মে নাটকীয় সংবাদ প্রকাশে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এ বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণের দৃশ্য তাদের নজরে আসেনি, তাহলে এ বীজ ও সার গেল কোথায়? অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃমনির কাছে জাতনে চাইলে তিনি বলেন আমার অফিসে আসেন চা খাই কথা বলি বলে মোবাইলের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। তুজলপুরের সুবিধাভোগী কৃষক আব্দুল হাকিম বলেন, আমাদের প্রতিবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এসব কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন। আজ সকালে শুনি বিতরণ শেষ, কিন্তু আমি তালিকাভুক্ত হওয়া সত্বেও বীজ-সার পাইনি। তাহলে আমার বীজ-সার গেল কোথায়? এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আফজাল হোসেন ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মেহেদী হাসানের যোগসাজশে ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য যুবলীগনেতা শরিফুল ইসলাম ও তার সহযোগী আমজেদ হোসেন বিভিন্ন কৃষকের নামে এসব উপকরণ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উত্তোলন করে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করেছেন।অভিযুক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার সহ দুই উপ-সহকারী ও ইউপি সদস্য বলেন, কৃষি উপকরণ গুলো ৫% বিএনপি, ৫% জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ৫% সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এ উপকরণ গুলো কাদেরকে দেওয়া হয়েছে তাদের নামের তালিকায় চাইলে তারা তালিকা দেখাতে পারেননি।এদিকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলমগীর মোল্লা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলছে না আমাদের কোনো কর্মীদেরকে বীজ-সার দেওয়া হয়নি। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই।মাঠপর্যায়ের কৃষকদের দাবি যেখানে সরকারের লক্ষ্য আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা, সেখানে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের এমন যোগসাজশ এবং দুর্নীতির কারণে প্রকৃত কৃষকরা আজ সুবিধাবঞ্চিত।
সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় কৃষি উপকরণ বিতরণ না করে, কৃষকদের মাঝে বিতরণের নাটকীয় সংবাদ প্রকাশ!
সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় কৃষি উপকরণ বিতরণ না করে, কৃষকদের মাঝে বিতরণের নাটকীয় সংবাদ প্রকাশ!
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরাসরি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করার কথা থাকলেও তা বিতরণ না করে ভ্যানে করে অন্যত্র সরিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা মোঃমনির ও দুই উপ-সহকারী মো:আবজাল হোসেন,মেহেদি হাসান বিরুদ্ধে। এনিয়ে গতকাল বুধবার বর্তমান সাতক্ষীরা সহ বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর সদরের তুজলপুরে অজ্ঞাত স্থান ও পুরাতন ছবি ব্যবহার করে কৃষি উপকরণ বিতরণ হয়েছে এমর্মে নাটকীয় সংবাদ প্রকাশে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোনো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এ বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণের দৃশ্য তাদের নজরে
আসেনি, তাহলে এ বীজ ও সার গেল কোথায়? অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃমনির কাছে জাতনে চাইলে তিনি বলেন আমার অফিসে আসেন চা খাই কথা বলি বলে মোবাইলের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। তুজলপুরের সুবিধাভোগী কৃষক আব্দুল হাকিম বলেন, আমাদের প্রতিবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এসব কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন। আজ সকালে শুনি বিতরণ শেষ, কিন্তু আমি তালিকাভুক্ত হওয়া সত্বেও বীজ-সার পাইনি। তাহলে আমার বীজ-সার গেল কোথায়? এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আফজাল হোসেন ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মেহেদী হাসানের যোগসাজশে ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য যুবলীগনেতা শরিফুল ইসলাম ও তার সহযোগী আমজেদ হোসেন বিভিন্ন কৃষকের নামে
এসব উপকরণ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উত্তোলন করে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করেছেন।অভিযুক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার সহ দুই উপ-সহকারী ও ইউপি সদস্য বলেন, কৃষি উপকরণ গুলো ৫% বিএনপি, ৫% জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ৫% সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এ উপকরণ গুলো কাদেরকে দেওয়া হয়েছে তাদের নামের তালিকায় চাইলে তারা তালিকা দেখাতে পারেননি।এদিকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলমগীর মোল্লা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলছে না আমাদের কোনো কর্মীদেরকে বীজ-সার দেওয়া হয়নি। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই।মাঠপর্যায়ের কৃষকদের দাবি যেখানে সরকারের লক্ষ্য আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা, সেখানে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের এমন যোগসাজশ এবং দুর্নীতির কারণে প্রকৃত কৃষকরা আজ সুবিধাবঞ্চিত।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত