ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখল এবং পুলিশের চাঁদাবাজী, মামলা দিয়ে হয়রানিসহ নানা অনিয়মের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন অটোরিকশা চালকরা। রবিবার দুপুরে বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালকরা উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ জোড়াপাম্প ও চন্দ্রা এলাকায় ওই মহাসড়ক অবরোধ রেখে এ বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে ঘন্টাখানেক ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা।
এলাকাবাসী, অটোরিকশা চালক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-টাঙ্গাইল। প্রতিদিন এ মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় হয়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার শতাধিক সড়কের লক্ষ লক্ষ যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করেই ওই মহাসড়কের ওপর দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ অটোরিকশা।
ফলে প্রায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন মানুষ। এসব দুর্ঘটনায় প্রঙ্গুত্ববরণসহ ঘটছে প্রানহানির মতো ঘটনাও। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার কারণ এই অটোরিকশা। যার কারণে অটোরিকশাসহ তিন চাকার যান মহাসড়কে উঠা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এদিকে মহাসড়কের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চাঁদা দিয়ে সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখল করে হাটবাজার বসানো হয়েছে। উপজেলার মৌচাক, সফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎ, জোড়াপাম্প, চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় সবচেয়ে বেশি
হাটবাজার। মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ হলেও আবার দখল করে হাটবাজার বসছে।
এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসীসহ বিক্ষুব্দ চালকেরা। তাদের অভিযোগ, দখল হয়ে সার্ভিস রোড বন্ধ হওয়ায় বাধ্য হয়ে অটোরিকশা নিয়ে মহাসড়কে উঠতে হচ্ছে। আর মহাসড়কে অটোরিকশা চালাতে গিয়ে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন চালকেরা। বিভিন্ন স্থানে সুযোগ বুঝে পুলিশ অন্যায়ভাবে অটোরিকশা আটকে মামলা করছে। অটোরিকশা থামিয়ে চাঁদাবাজিও করেন পুলিশের অসাধু কিছু সদস্য। এমন অভিযোগ তুলে তার প্রতিবাদে তারা
রবিবার দুপুরে পল্লীবিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন অটোরিকশা চালকরা।
এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে ঘন্টাখানেক ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে দেয়। পরে বিক্ষুব্দরা মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড়ে গিয়ে আবার বিক্ষোভ করে।
বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালক আলমগীর হোসেন, বিল্লাল হোসেন, আরমান মিয়া, নুরু মিয়া, বাবুল হোসেনসহ জানান, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ, এটা আমরা জানি। কিন্তু আমরা চলবো কিভাবে? পেটের দায়ে অটোরিকশা চালায়। আমরা সার্ভিস রোড দিয়ে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ চাই। আর মহাসড়কে পুলিশ অটোরিকশা ধরলেই দুই হাজার ৬০০ টাকার মামলা দিচ্ছে। ওই মামলার টাকা পরিশোধে অক্ষম হয়ে অনেকেই পুলিশকে চাঁদা দিতে বাধ্য হন। চাঁদা না দিয়ে চলতে গেলেও নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অটোরিকশা চলার জন্য সার্ভিস রোড আছে।
কিন্তু সেটা দখল করে হাটবাজার বসায় বাধ্য হয়ে অটোরিকশা মহাসড়কে উঠাতে হচ্ছে। উল্টো পথে গেলে জরিমানা করুক, কোনো সমস্যা নাই। তবে দখলমুক্ত সার্ভিস রোড ও ফুটপাত এবং পুলিশের চাঁদাবাজী, মামলা দিয়ে হয়রানিসহ নানা অনিয়ম বন্ধের দাবী জানিয়েছেন বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালকেরা।
এব্যাপারে নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাওগাত উল আলম জানান, অল্প কয়েকজন অটোরিকশা চালক মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সড়িয়ে দেয়। এছাড়াও সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখল করে যারা আছেন, তারাও অবৈধভাবে আছেন। খুব তাড়াতাড়ি দখলকারীদের উচ্ছেদ করে
সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। কিন্তু ওই সার্ভিস রোডেও অটোরিকশা উঠার নিয়ম নেই। তবে অটোরিকশা আটকে টাকা আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কেউ এভাবে টাকা নিলে তার তথ্য প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এলাকাবাসী, অটোরিকশা চালক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-টাঙ্গাইল। প্রতিদিন এ মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় হয়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার শতাধিক সড়কের লক্ষ লক্ষ যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করেই ওই মহাসড়কের ওপর দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ অটোরিকশা।
ফলে প্রায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন মানুষ। এসব দুর্ঘটনায় প্রঙ্গুত্ববরণসহ ঘটছে প্রানহানির মতো ঘটনাও। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনার কারণ এই অটোরিকশা। যার কারণে অটোরিকশাসহ তিন চাকার যান মহাসড়কে উঠা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এদিকে মহাসড়কের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চাঁদা দিয়ে সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখল করে হাটবাজার বসানো হয়েছে। উপজেলার মৌচাক, সফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎ, জোড়াপাম্প, চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় সবচেয়ে বেশি
হাটবাজার। মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ হলেও আবার দখল করে হাটবাজার বসছে।
এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসীসহ বিক্ষুব্দ চালকেরা। তাদের অভিযোগ, দখল হয়ে সার্ভিস রোড বন্ধ হওয়ায় বাধ্য হয়ে অটোরিকশা নিয়ে মহাসড়কে উঠতে হচ্ছে। আর মহাসড়কে অটোরিকশা চালাতে গিয়ে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন চালকেরা। বিভিন্ন স্থানে সুযোগ বুঝে পুলিশ অন্যায়ভাবে অটোরিকশা আটকে মামলা করছে। অটোরিকশা থামিয়ে চাঁদাবাজিও করেন পুলিশের অসাধু কিছু সদস্য। এমন অভিযোগ তুলে তার প্রতিবাদে তারা
রবিবার দুপুরে পল্লীবিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন অটোরিকশা চালকরা।
এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে ঘন্টাখানেক ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে দেয়। পরে বিক্ষুব্দরা মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড়ে গিয়ে আবার বিক্ষোভ করে।
বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালক আলমগীর হোসেন, বিল্লাল হোসেন, আরমান মিয়া, নুরু মিয়া, বাবুল হোসেনসহ জানান, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ, এটা আমরা জানি। কিন্তু আমরা চলবো কিভাবে? পেটের দায়ে অটোরিকশা চালায়। আমরা সার্ভিস রোড দিয়ে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ চাই। আর মহাসড়কে পুলিশ অটোরিকশা ধরলেই দুই হাজার ৬০০ টাকার মামলা দিচ্ছে। ওই মামলার টাকা পরিশোধে অক্ষম হয়ে অনেকেই পুলিশকে চাঁদা দিতে বাধ্য হন। চাঁদা না দিয়ে চলতে গেলেও নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অটোরিকশা চলার জন্য সার্ভিস রোড আছে।
কিন্তু সেটা দখল করে হাটবাজার বসায় বাধ্য হয়ে অটোরিকশা মহাসড়কে উঠাতে হচ্ছে। উল্টো পথে গেলে জরিমানা করুক, কোনো সমস্যা নাই। তবে দখলমুক্ত সার্ভিস রোড ও ফুটপাত এবং পুলিশের চাঁদাবাজী, মামলা দিয়ে হয়রানিসহ নানা অনিয়ম বন্ধের দাবী জানিয়েছেন বিক্ষুব্দ অটোরিকশা চালকেরা।
এব্যাপারে নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাওগাত উল আলম জানান, অল্প কয়েকজন অটোরিকশা চালক মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সড়িয়ে দেয়। এছাড়াও সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখল করে যারা আছেন, তারাও অবৈধভাবে আছেন। খুব তাড়াতাড়ি দখলকারীদের উচ্ছেদ করে
সার্ভিস রোড ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। কিন্তু ওই সার্ভিস রোডেও অটোরিকশা উঠার নিয়ম নেই। তবে অটোরিকশা আটকে টাকা আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কেউ এভাবে টাকা নিলে তার তথ্য প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব