নয়ন বাবু, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:- নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরে জনসাধারণদের সেবা প্রদানে বিরামহীনভাবে কাজ করছেন ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক।
বিগদদিনে সরকার পরিবর্তনের কারনে চেয়ারম্যানগণ ঠিক মতো অফিস করেন না বিভিন্ন মামলা বা রাজনৈতিক কারনে।
এরপর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ সেবাপ্রত্যাশীদের বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছেন। ফলে সেবাদানে কোন রকম ভোগান্তি বা বিড়ম্বনায় পড়ছেন না জনসাধারণ।
জানা যায়, সাপাহার সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক সততার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব তার মতো করে কর্যক্রম পরিচালনা শুরু করছেন৷ পরিষদে বসে দীর্ঘ সময় ধরে নাগরিকত্ব, চারিত্রিক, ওয়ারিশিয়ান সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সহ বিভিন্ন বিষয়ে ইউনিয়নবাসীদের সেবা দিচ্ছেন তিনি। ফলে পরিষদে এসে দ্রুত সুবিধা পেয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফিরে যাচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
পিছলডাঙ্গা গ্রামের ফিরুজ আহমেদ জানান, কয়েকদিন আগে ইউনিয়ন পরিষদে দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে নতুন ভোটারের জন্য প্রত্যয়ন নিতে যায়। এসময় চেয়ারম্যান পরিষদে না থাকায় একটু জটিলতার মধ্যে পড়ি পরবর্তীতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক খুব দ্রুত কাজটি করে দেন।
সরেজমিনে সাপাহার সদর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলে দেখা যায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক এর কাছ থেকে নাগরিকত্ব, চারিত্রিক সনদসহ বিভিন্ন কাজে এসে সেবা নিয়ে যাচ্ছে। সর্বক্ষণ তাকে অফিসে দেখতে পাওয়া যায়। ফলে কোন রকম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছেনা জনসাধারণদের।
গোডাউনপাড়া গ্রামের মোসলিমা আক্তার জানান, ছেলের জন্ম নিবন্ধন করতে পরিষদে যায়। সেখানে দায়িত্বরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা দ্রুত সেটির আবেদন করে উপজেলা পাঠিয়ে দেন। এরপর দুই দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন হাতে পেয়ে ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক জানান, সেবাপ্রত্যাশীদের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। সকাল থেকে পরিষদ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমার কাছে সকল রকম সেবা পাবেন জনসাধারণ। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয় ক্যাম্পেইন করে প্রত্যেক ওয়ার্ডে প্রায় ৪৫ দিনের মধ্যে ফ্রী নতুন নিবন্ধনের সুবিধা দিয়েছি। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে কেউ বিচার নিতে আসলে খুব সীমিত সময়ে তার সমাধান করে দেওয়া হয়।
এছাড়াও নয়টি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, ড্রেন সহ বিভিন্ন কাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব শীগ্রই সেই বরাদ্দকৃত কাজগুলো শুরু করা হবে। যেকোন ভাতার ক্ষেত্রে একদকম বিনামূল্যে সুবিধাভোগীদের প্রদান করা হয়েছে। সরকারিভাবে যেসব সেবা জনসাধারণের দেওয়া প্রয়োজন আমি তা দিয়ে আসছি বলে আশা করি বলেও জানান প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
বিগদদিনে সরকার পরিবর্তনের কারনে চেয়ারম্যানগণ ঠিক মতো অফিস করেন না বিভিন্ন মামলা বা রাজনৈতিক কারনে।
এরপর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ সেবাপ্রত্যাশীদের বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছেন। ফলে সেবাদানে কোন রকম ভোগান্তি বা বিড়ম্বনায় পড়ছেন না জনসাধারণ।
জানা যায়, সাপাহার সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক সততার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব তার মতো করে কর্যক্রম পরিচালনা শুরু করছেন৷ পরিষদে বসে দীর্ঘ সময় ধরে নাগরিকত্ব, চারিত্রিক, ওয়ারিশিয়ান সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সহ বিভিন্ন বিষয়ে ইউনিয়নবাসীদের সেবা দিচ্ছেন তিনি। ফলে পরিষদে এসে দ্রুত সুবিধা পেয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফিরে যাচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
পিছলডাঙ্গা গ্রামের ফিরুজ আহমেদ জানান, কয়েকদিন আগে ইউনিয়ন পরিষদে দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে নতুন ভোটারের জন্য প্রত্যয়ন নিতে যায়। এসময় চেয়ারম্যান পরিষদে না থাকায় একটু জটিলতার মধ্যে পড়ি পরবর্তীতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক খুব দ্রুত কাজটি করে দেন।
সরেজমিনে সাপাহার সদর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলে দেখা যায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক এর কাছ থেকে নাগরিকত্ব, চারিত্রিক সনদসহ বিভিন্ন কাজে এসে সেবা নিয়ে যাচ্ছে। সর্বক্ষণ তাকে অফিসে দেখতে পাওয়া যায়। ফলে কোন রকম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছেনা জনসাধারণদের।
গোডাউনপাড়া গ্রামের মোসলিমা আক্তার জানান, ছেলের জন্ম নিবন্ধন করতে পরিষদে যায়। সেখানে দায়িত্বরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা দ্রুত সেটির আবেদন করে উপজেলা পাঠিয়ে দেন। এরপর দুই দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন হাতে পেয়ে ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহিদুল হক জানান, সেবাপ্রত্যাশীদের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। সকাল থেকে পরিষদ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমার কাছে সকল রকম সেবা পাবেন জনসাধারণ। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয় ক্যাম্পেইন করে প্রত্যেক ওয়ার্ডে প্রায় ৪৫ দিনের মধ্যে ফ্রী নতুন নিবন্ধনের সুবিধা দিয়েছি। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে কেউ বিচার নিতে আসলে খুব সীমিত সময়ে তার সমাধান করে দেওয়া হয়।
এছাড়াও নয়টি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, ড্রেন সহ বিভিন্ন কাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব শীগ্রই সেই বরাদ্দকৃত কাজগুলো শুরু করা হবে। যেকোন ভাতার ক্ষেত্রে একদকম বিনামূল্যে সুবিধাভোগীদের প্রদান করা হয়েছে। সরকারিভাবে যেসব সেবা জনসাধারণের দেওয়া প্রয়োজন আমি তা দিয়ে আসছি বলে আশা করি বলেও জানান প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব