নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ৪২টি গ্রামে নিরবিচ্ছিন্ন বিদুৎতের দাবিতে গতকাল ২৪মে শনিবার মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। এ কর্মসূচিতে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অংশ নেয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা টায়ারে আগুন ও গাছের গুড়ি ফেলে ঘন্টাব্যাপি চনপাড়া-নগরপাড়া সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অনুরোধে তারা অবরোধ তুলে নেয়।
মনববন্ধন পূর্বক আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট গোলজার হোসেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন মিয়া, আনোয়ার হোসেন আনু, নাসির আহম্মেদ, আব্দুস সাত্তার, নুর হোসেন, আক্তার হোসেন, সালাউদ্দিন ফালা প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ৪২গ্রামের মানুষ বিদুৎতের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। এখানে বিদ্যুৎ থাকে না বলেই চলে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও নানা অজুহাতে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুত বন্ধ থাকে। ফলে মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে লোডশেডিং না কমালে ও ডিজিএমের অপসারণ করা না হলে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
মনববন্ধন পূর্বক আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট গোলজার হোসেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন মিয়া, আনোয়ার হোসেন আনু, নাসির আহম্মেদ, আব্দুস সাত্তার, নুর হোসেন, আক্তার হোসেন, সালাউদ্দিন ফালা প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ৪২গ্রামের মানুষ বিদুৎতের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। এখানে বিদ্যুৎ থাকে না বলেই চলে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও নানা অজুহাতে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুত বন্ধ থাকে। ফলে মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে লোডশেডিং না কমালে ও ডিজিএমের অপসারণ করা না হলে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব