এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হলেন রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সময়ে আকাশে দুটি সূর্য দেখা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।
স্থানীয় গণমাধ্যম ও আবহাওয়াবিদদের প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপে দেখা যাওয়া দুটি আসলে সূর্য নয়, বরং একটি প্রাকৃতিক বায়ুমণ্ডলীয় ঘটনা।
বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন, তীব্র শীতের কারণে বাতাসে তৈরি হওয়া ক্ষুদ্র বরফকণা সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে, যার ফলে আকাশে সূর্য দুটি অবস্থানে দেখা যাচ্ছে বলে বিভ্রম সৃষ্টি হয়।
এই আলোকীয় ঘটনাটি বৈজ্ঞানিকভাবে ‘সান ডগ’ বা ‘প্যারহেলিয়ন’ নামে পরিচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শাখালিন দ্বীপে তাপমাত্রা মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রেকর্ড করা হয় এবং পূর্বাভাস অনুযায়ী তা মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এ ধরনের বিরল দৃশ্য সাধারণত অত্যন্ত শীতল আবহাওয়ায় দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
যেদিন এই ‘দ্বিতীয় সূর্য’ দেখা যায়, সেদিন শাখালিনে তাপমাত্রা নেমে আসে মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, এবং পূর্বাভাসে তা মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে বলে জানানো হয়।
এ ধরনের তীব্র শীত উপরের বায়ুমণ্ডলে বরফকণা তৈরির জন্য আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা থেকে এই চমৎকার আলোর প্রতিফলন দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দৃশ্যটিকে জাদুকরী ও অন্য জগতের মতো বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন—চরম শীত কখনো কখনো প্রকৃতির অসাধারণ রূপ আমাদের সামনে তুলে ধরে।
বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনা বিরল হলেও এটি শুধু একটি দৃষ্টিভ্রম বা আলোকীয় ঘটনা।
রাশিয়ায় একই সময়ে আকাশে দেখা মিলল দুই সূর্যের!
রাশিয়ায় একই সময়ে আকাশে দেখা মিলল দুই সূর্যের!
এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হলেন রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সময়ে আকাশে দুটি সূর্য দেখা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। স্থানীয় গণমাধ্যম ও আবহাওয়াবিদদের প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপে দেখা যাওয়া দুটি আসলে সূর্য নয়, বরং একটি প্রাকৃতিক বায়ুমণ্ডলীয় ঘটনা। বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন, তীব্র শীতের কারণে বাতাসে তৈরি হওয়া ক্ষুদ্র বরফকণা সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে, যার ফলে আকাশে সূর্য দুটি অবস্থানে দেখা যাচ্ছে বলে বিভ্রম সৃষ্টি
হয়। এই আলোকীয় ঘটনাটি বৈজ্ঞানিকভাবে ‘সান ডগ’ বা ‘প্যারহেলিয়ন’ নামে পরিচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়, শাখালিন দ্বীপে তাপমাত্রা মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রেকর্ড করা হয় এবং পূর্বাভাস অনুযায়ী তা মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এ ধরনের বিরল দৃশ্য সাধারণত অত্যন্ত শীতল আবহাওয়ায় দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যেদিন এই ‘দ্বিতীয় সূর্য’ দেখা যায়, সেদিন শাখালিনে তাপমাত্রা নেমে আসে মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, এবং পূর্বাভাসে তা মাইনাস ২৩
ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে বলে জানানো হয়। এ ধরনের তীব্র শীত উপরের বায়ুমণ্ডলে বরফকণা তৈরির জন্য আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা থেকে এই চমৎকার আলোর প্রতিফলন দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা দৃশ্যটিকে জাদুকরী ও অন্য জগতের মতো বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন—চরম শীত কখনো কখনো প্রকৃতির অসাধারণ রূপ আমাদের সামনে তুলে ধরে। বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনা বিরল হলেও এটি শুধু একটি দৃষ্টিভ্রম বা আলোকীয় ঘটনা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত