ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে ইউক্রেনের দখলে থাকা দোনেৎস্ক অঞ্চলের বাকি ৩০ শতাংশ এলাকা ছেড়ে দিতে বলছেন।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) কিয়েভে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।
সংবাদ সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে- জেলেনস্কি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ইউক্রেন কোনো নিয়ন্ত্রিত এলাকা ছেড়ে দিতে পারবে না। এটি শুধু ভবিষ্যতে রাশিয়ার নতুন আক্রমণের জন্য পাদপ্রদীপ হিসেবে কাজ করবে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা যুদ্ধ সমাপ্তির কূটনৈতিক আলোচনায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বা ভবিষ্যৎ রুশ আগ্রাসন ঠেকানোর বিষয়টি আলোচনায় আসেনি এবং বর্তমানে প্রস্তাবিত বৈঠকের ধরনে ইউরোপের অংশগ্রহণও নেই।
এদিকে, রুশ বাহিনী মাটিতে দোনেৎস্কের পোক্রোভস্ক শহর ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
জেলেনস্কির দাবি, আসন্ন শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা তাকে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য ভূখণ্ড ছাড় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা। তবে ইউক্রেন এ প্রস্তাবে সম্মত নয়। তিনি বলেন, পুতিন কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রায় ৯ হাজার বর্গকিলোমিটার (৩,৫০০ বর্গমাইল) এলাকা নিতে চান, যা রাশিয়াকে প্রায় পুরো দনবাস অঞ্চলের মালিকানা দেবে।
দনবাস ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শিল্পসমৃদ্ধ এলাকা। এটি দীর্ঘদিন ধরে পুতিনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেন, আমরা দনবাস ছাড়ব না, এটা অসম্ভব। সবাই ভুলে যায়, আমাদের ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে। ২০১৪ সালে যেমন ক্রিমিয়া দখল হয়েছিল, ঠিক তেমন নতুন আক্রমণের জন্যই এই এলাকা ব্যবহার হবে।
ইউক্রেন এখনো শুক্রবারের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারাও এই বৈঠক থেকে বাদ পড়েছেন এবং তারা মঙ্গলবার ট্রাম্পকে ইউরোপের স্বার্থ রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি দেখতে চান পুতিন যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে কতটা সিরিয়াস। তবে ইউক্রেন ও ইউরোপের আশঙ্কা, পুতিন ইউরোপে ১৯৪৫ সালের পর সবচেয়ে বড় স্থলযুদ্ধ চালিয়ে এবং জ্বালানি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে অনুকূল শর্তে শান্তিচুক্তি হাসিল করতে চাইতে পারেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) কিয়েভে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।
সংবাদ সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে- জেলেনস্কি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ইউক্রেন কোনো নিয়ন্ত্রিত এলাকা ছেড়ে দিতে পারবে না। এটি শুধু ভবিষ্যতে রাশিয়ার নতুন আক্রমণের জন্য পাদপ্রদীপ হিসেবে কাজ করবে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা যুদ্ধ সমাপ্তির কূটনৈতিক আলোচনায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বা ভবিষ্যৎ রুশ আগ্রাসন ঠেকানোর বিষয়টি আলোচনায় আসেনি এবং বর্তমানে প্রস্তাবিত বৈঠকের ধরনে ইউরোপের অংশগ্রহণও নেই।
এদিকে, রুশ বাহিনী মাটিতে দোনেৎস্কের পোক্রোভস্ক শহর ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
জেলেনস্কির দাবি, আসন্ন শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা তাকে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য ভূখণ্ড ছাড় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা। তবে ইউক্রেন এ প্রস্তাবে সম্মত নয়। তিনি বলেন, পুতিন কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রায় ৯ হাজার বর্গকিলোমিটার (৩,৫০০ বর্গমাইল) এলাকা নিতে চান, যা রাশিয়াকে প্রায় পুরো দনবাস অঞ্চলের মালিকানা দেবে।
দনবাস ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শিল্পসমৃদ্ধ এলাকা। এটি দীর্ঘদিন ধরে পুতিনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। জেলেনস্কি স্পষ্ট করে বলেন, আমরা দনবাস ছাড়ব না, এটা অসম্ভব। সবাই ভুলে যায়, আমাদের ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে। ২০১৪ সালে যেমন ক্রিমিয়া দখল হয়েছিল, ঠিক তেমন নতুন আক্রমণের জন্যই এই এলাকা ব্যবহার হবে।
ইউক্রেন এখনো শুক্রবারের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারাও এই বৈঠক থেকে বাদ পড়েছেন এবং তারা মঙ্গলবার ট্রাম্পকে ইউরোপের স্বার্থ রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি দেখতে চান পুতিন যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে কতটা সিরিয়াস। তবে ইউক্রেন ও ইউরোপের আশঙ্কা, পুতিন ইউরোপে ১৯৪৫ সালের পর সবচেয়ে বড় স্থলযুদ্ধ চালিয়ে এবং জ্বালানি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে অনুকূল শর্তে শান্তিচুক্তি হাসিল করতে চাইতে পারেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব