কমলনগর, উপজেলায় : ৯নং তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
লক্ষীপুর কমল নগর উপজেলায় ৯ নং তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যবৃন্দ অভিযোগ করেছেন যে চেয়ারম্যান সরকারি বরাদ্দ যথাযথভাবে বণ্টন না করে নিজের মনমতো বরাদ্দগুলো আত্মসাৎ করছেন।
তারা আরও অভিযোগ করেন যে চেয়ারম্যান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ নিজের নামে বা বেনামে হাতিয়ে নিচ্ছেন। ভিজিডি, ভিজিএফ, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাও আত্মসাৎ করছেন।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্যরা বলেন, "চেয়ারম্যানের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ইউনিয়নের জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমার বিরুদ্ধে কেউ কোনো প্রমাণ দিতে পারবে না।"
1. সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার ও আত্মসাৎ।
2. প্রকৃত শ্রমিকদের নামে একাউন্ট না খুলে নামে বেনামে বিকাশ একাউন্ট খুলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।
3. বিভিন্ন ভাতা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ।
4. ইউপি সদস্যদের অস্বচ্ছলতা সৃষ্টি করা।
5. ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিনের মৃত্যুর পর 6.ওয়ার্ডের জনসাধারণকে বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা।
এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তর দাবি জানিয়েছেন ইউপি সদস্যরা।
রাসেল (চেয়ারম্যানের) বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ
রাসেল (চেয়ারম্যানের) বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ
কমলনগর, উপজেলায় : ৯নং তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লক্ষীপুর কমল নগর উপজেলায় ৯ নং তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যবৃন্দ অভিযোগ করেছেন যে চেয়ারম্যান সরকারি বরাদ্দ যথাযথভাবে বণ্টন না করে নিজের মনমতো বরাদ্দগুলো আত্মসাৎ করছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন যে চেয়ারম্যান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ নিজের নামে বা বেনামে হাতিয়ে নিচ্ছেন। ভিজিডি,
ভিজিএফ, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাও আত্মসাৎ করছেন। এ বিষয়ে ইউপি সদস্যরা বলেন, "চেয়ারম্যানের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ইউনিয়নের জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।" চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমার বিরুদ্ধে কেউ কোনো প্রমাণ দিতে পারবে না।" 1.
সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার ও আত্মসাৎ।2. প্রকৃত শ্রমিকদের নামে একাউন্ট না খুলে নামে বেনামে বিকাশ একাউন্ট খুলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।3. বিভিন্ন ভাতা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ।4. ইউপি সদস্যদের অস্বচ্ছলতা সৃষ্টি করা।5. ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিনের মৃত্যুর পর 6.ওয়ার্ডের জনসাধারণকে বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তর দাবি জানিয়েছেন ইউপি সদস্যরা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত