কক্সবাজারের রামুতে বেশ কিছু চোরাই পণ্যসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।গত বুধবার ভোরে কক্সবাজার সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান, রামু থানার ওসি মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
গ্রেপ্তাররা হল, কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে নুরুল আমিন (৬৫) এবং উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ফলিয়াপাড়ার আইয়ুব আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (৩৪) ও একই ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার মৃত হারুনুর রশিদ ওরফে মিজানুর রহমানের ছেলে মোঃ রুবেল (২৭)।
মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, গত ১১ অক্টোবর রাতে রামু উপজেলা সদরের বাইপাস স্টেশনস্থ আবছার প্লাজার প্রধান গেইট ভেঙ্গে মেসার্স আল-আমিন স্টোর নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। এসময় চোরেরা বিভিন্ন প্রকার সিগারেট, ৭ টি মোবাইল ফোন সেট এবং কম্পিউটার সামগ্রী সহ অন্তত সাড়ে ১৭ লাখ টাকার বেশী মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভূক্তভোগী ব্যবসায়ি বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর থেকে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখে বলে জানান ওসি।আরিফ হোছাইন জানান, গত বুধবার ভোরে চুরির ঘটনায় জড়িত কয়েকজন আসামী কক্সবাজার সদরের পিএমখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এলাকায় অবস্থান করার খবর পায় পুলিশ।
পরে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসময় একটি বসত ঘর থেকে এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঘরটি তল্লাশী করে চুরির ঘটনায় লুট হওয়া বেশ কিছু সিগারেট উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আসামির তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ও চকরিয়া উপজেলার একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়।
এতে চুরি হওয়া কিছু কম্পিউটার সামগ্রী এবং মোবাইল ফোন সেট সহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালামালের আনুমানিক পৌণে ১২ লাখ টাকার বেশী।ওসি বলেন, গ্রেপ্তাররা আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য।
চুরি ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চুরির ঘটনায় দায়ের মামলায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান, মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
গ্রেপ্তাররা হল, কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে নুরুল আমিন (৬৫) এবং উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ফলিয়াপাড়ার আইয়ুব আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (৩৪) ও একই ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার মৃত হারুনুর রশিদ ওরফে মিজানুর রহমানের ছেলে মোঃ রুবেল (২৭)।
মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, গত ১১ অক্টোবর রাতে রামু উপজেলা সদরের বাইপাস স্টেশনস্থ আবছার প্লাজার প্রধান গেইট ভেঙ্গে মেসার্স আল-আমিন স্টোর নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। এসময় চোরেরা বিভিন্ন প্রকার সিগারেট, ৭ টি মোবাইল ফোন সেট এবং কম্পিউটার সামগ্রী সহ অন্তত সাড়ে ১৭ লাখ টাকার বেশী মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভূক্তভোগী ব্যবসায়ি বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পর থেকে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখে বলে জানান ওসি।আরিফ হোছাইন জানান, গত বুধবার ভোরে চুরির ঘটনায় জড়িত কয়েকজন আসামী কক্সবাজার সদরের পিএমখালী ইউনিয়নের মাছুয়াখালী এলাকায় অবস্থান করার খবর পায় পুলিশ।
পরে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসময় একটি বসত ঘর থেকে এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঘরটি তল্লাশী করে চুরির ঘটনায় লুট হওয়া বেশ কিছু সিগারেট উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আসামির তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ও চকরিয়া উপজেলার একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়।
এতে চুরি হওয়া কিছু কম্পিউটার সামগ্রী এবং মোবাইল ফোন সেট সহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালামালের আনুমানিক পৌণে ১২ লাখ টাকার বেশী।ওসি বলেন, গ্রেপ্তাররা আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য।
চুরি ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চুরির ঘটনায় দায়ের মামলায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান, মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব