সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান।
চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার শিশু রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত ১৯ মে দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সকালে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করে। পরে হত্যাকাণ্ড আড়াল করতে রামিসার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে তদন্তে উঠে আসে।
ঘটনার পর ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল রানা। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বাসাতেই ছিলেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে।
একই দিন সন্ধ্যায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় দুজনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দিল পুলিশ।
রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল
রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল
সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪৭ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান। চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার শিশু রামিসার
ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ১৯ মে দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সকালে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করে। পরে হত্যাকাণ্ড আড়াল করতে রামিসার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে তদন্তে উঠে আসে।
ঘটনার পর ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল রানা। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বাসাতেই ছিলেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে। একই দিন সন্ধ্যায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলা দায়েরের পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দিল পুলিশ।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত