আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজশাহী-১( তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি নয়জন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে।
তবে নয়জনের মধ্যে দুই জনের নাম শোনা গেলেও বাকি সাতজন প্রার্থী গণসংযোগ ও সহ নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করছেন। শুধু যোগাযোগ না ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করে নিজেদেরকে প্রার্থী হিসেবে জানান দিচ্ছেন।
এত প্রার্থীর কারনে দুই উপজেলায় তৃনমুল বিএনপিতে বিভক্তির শেষ নেই। উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে গ্রুপিখ লবিং শুরু হয়েছে। নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে সরগরম করে তুলেছে ভোটের মাঠ। তবে সিনিয়র নেতাদের মাঝে তেমন কোন স্বস্তি নেই। ফলে কোনভাবেই এক কাতারে আসতে পারছেনা বিএনপি।
তবে নয়জনের মধ্যে দুই জনের নাম শোনা গেলেও বাকি সাতজন প্রার্থী গণসংযোগ ও সহ নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করছেন। শুধু যোগাযোগ না ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করে নিজেদেরকে প্রার্থী হিসেবে জানান দিচ্ছেন।
এত প্রার্থীর কারনে দুই উপজেলায় তৃনমুল বিএনপিতে বিভক্তির শেষ নেই। উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে গ্রুপিখ লবিং শুরু হয়েছে। নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে সরগরম করে তুলেছে ভোটের মাঠ। তবে সিনিয়র নেতাদের মাঝে তেমন কোন স্বস্তি নেই। ফলে কোনভাবেই এক কাতারে আসতে পারছেনা বিএনপি।
দলীয় সুত্রে জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এআসনকে ভিআইপি আসন হিসেবে ধরা হয়। এআসনে নয়জন প্রার্থী আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন বলে বিভিন্ন ভাবে জানান দিচ্ছে। প্রার্থীর হলেন মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিন।
তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন এবং তিনি উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় দেশে ওয়ান এলেভেনের সৃষ্টি হয়।
শরিফ প্রয়াম মন্ত্রী ব্য্যারিষ্টার আমিনুল হকের ভাই। তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড কে কাজে লাগাতে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
প্রার্থী হিসেবে নাম আসছে প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহধর্মিণী আভা হক। তবে পারিবারিক চাপের কারনে বিগত সময়ে রাজনীতির মাঠে দেখা গেলেও এখন আর দেখা যায় না।
অভিযোগ রয়েছে মেজরসহ তার পরিবার রাজনীতি থেকে চাপ দিয়ে দূরে রেখেছেন। কিন্তু তিনি রাজনীতির মাঠে এলে বিএনপির মধ্যে ঐক্য ফিরে আসবে বলে মনে করেন সিনিয়র থেকে শুরু করে তৃনমুলের নেতাকর্মীরা।
প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে গণসংযোগ করছেন প্রয়াত মন্ত্রী আমিনুল হকের ভাগ্নে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন। এক পরিবার থেকে তিনজন প্রার্থী থাকার কারনে দল ও তৃনমুল ভালো ভাবে নিতে পারছেননা।
প্রতিনিয়ত গণসংযোগ ও রাস্ট্র মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ ও নানান সামাজিক মানবিক কাজ করে ইতিপূর্বেই ভোটের মাঠে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থী জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য শিল্পপতি এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক।
তিনি প্রায় দিন দুই উপজেলার কোন না কোন জায়গায় বিশাল বহর নিয়ে গণসংযোগ করে ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন। প্রার্থী হিসেবে নাম আসছে বিএনপির বর্ষিয়ান নেতা ইঞ্জিনিয়ার কেএম জুয়েল। তিনি ১৯৯৬ সালে দলীয় মনোনয়ন তুলেছেন। কিন্তু দলীয় নির্দেশে প্রত্যাহার করে নেয়।
কেএম জুয়েল রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। প্রার্থী হিসেবে আছেন সাবেক জেলা যুবদলের নেতা সাজেদুর রহমান মার্কনী, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন শাহিন, অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিপ্লব এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শিক্ষাবিদ বিশ্বনাথ সরকার।
তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন এবং তিনি উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় দেশে ওয়ান এলেভেনের সৃষ্টি হয়।
শরিফ প্রয়াম মন্ত্রী ব্য্যারিষ্টার আমিনুল হকের ভাই। তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড কে কাজে লাগাতে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
প্রার্থী হিসেবে নাম আসছে প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সহধর্মিণী আভা হক। তবে পারিবারিক চাপের কারনে বিগত সময়ে রাজনীতির মাঠে দেখা গেলেও এখন আর দেখা যায় না।
অভিযোগ রয়েছে মেজরসহ তার পরিবার রাজনীতি থেকে চাপ দিয়ে দূরে রেখেছেন। কিন্তু তিনি রাজনীতির মাঠে এলে বিএনপির মধ্যে ঐক্য ফিরে আসবে বলে মনে করেন সিনিয়র থেকে শুরু করে তৃনমুলের নেতাকর্মীরা।
প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে গণসংযোগ করছেন প্রয়াত মন্ত্রী আমিনুল হকের ভাগ্নে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন। এক পরিবার থেকে তিনজন প্রার্থী থাকার কারনে দল ও তৃনমুল ভালো ভাবে নিতে পারছেননা।
প্রতিনিয়ত গণসংযোগ ও রাস্ট্র মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ ও নানান সামাজিক মানবিক কাজ করে ইতিপূর্বেই ভোটের মাঠে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থী জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য শিল্পপতি এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক।
তিনি প্রায় দিন দুই উপজেলার কোন না কোন জায়গায় বিশাল বহর নিয়ে গণসংযোগ করে ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন। প্রার্থী হিসেবে নাম আসছে বিএনপির বর্ষিয়ান নেতা ইঞ্জিনিয়ার কেএম জুয়েল। তিনি ১৯৯৬ সালে দলীয় মনোনয়ন তুলেছেন। কিন্তু দলীয় নির্দেশে প্রত্যাহার করে নেয়।
কেএম জুয়েল রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। প্রার্থী হিসেবে আছেন সাবেক জেলা যুবদলের নেতা সাজেদুর রহমান মার্কনী, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন শাহিন, অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিপ্লব এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শিক্ষাবিদ বিশ্বনাথ সরকার।
সুত্র জানায়, মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নিজ দলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মামলাসহ নানা অভিযোগ কেন্দ্রে জমা পড়েছে। ইফতার মাহফিলে তাকে বরণ করা নিয়ে তানোরে রমজান মাসে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন বিএনপির কর্মী নিহত হয়।
তারপর থেকেই তৃনমুল থেকে সাধারণ ভোটেরা তার উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। কারন এমপি না হতে তিনি হত্যার রাজনীতি তে নাম লিখিয়েছেন। একারন তার হাতে তানোর গোদাগাড়ী নিরাপদ না বলেও মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তারপর থেকেই তৃনমুল থেকে সাধারণ ভোটেরা তার উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। কারন এমপি না হতে তিনি হত্যার রাজনীতি তে নাম লিখিয়েছেন। একারন তার হাতে তানোর গোদাগাড়ী নিরাপদ না বলেও মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তৃনমূলের ভাষ্য, একাধিক প্রার্থী থাকার কারনে জনে জনে লবিগ্রুপিং শুরু হয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে সিনিয়র নেতারাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। আর এজন্য দায় মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিনের রাজনৈতিক অপরিপক্কতা। তবে একাধিক প্রার্থী থাকা দলের জন্য ভালো। তাহলে দল চাঙ্গা থাকে।
কিন্তু একই দলের সম্ভাব্য প্রার্থীর পোষ্টার ফেসটুন ছিড়ে ফেলা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্তের পরিচয় দেয়া ছাড়া কিছুই না। তানোরে বিগত প্রয়াত নেতা আমিনুল হকের সময় থেকে লবিং গ্রুপিং ছিল। কিন্তু সেটা এতপরিমানে চিলনা। দুগ্রুপের মারপিট সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু হত্যার মত সংঘর্ষ হয়নি।
যা তিনি শুরু করেছেন। তার সাতে তৃনমুলের নেতাকর্মীরা কথা বলতে পারেনা। হাতে গোনা তার নেতা ছাড়া কোন তৃনমুল কর্মীর মূল্য নেই। স্বৈরাচার সরকারের পতনের আগে ও পরে সাবেক মেয়র বহিস্কৃত নেতা মিজানের সাথে দ্বন্দ্বের কারনে তানোর পৌরসভায় কোন সভা সমাবেশ করতে পারেনি শরিফ উদ্দিন।
গত দূর্গা পূজায় মিল হওয়ার পর থেকে পৌরসভায় ঢুকতে পারেন শরিফ উদ্দিন। পতনের আগে গোকুল গ্রামে সভার আহবান করেছিল মালেক গ্রুপের নেতাকর্মীরা। কিন্তু সেই সভায় হামলা চালিয়ে পন্ড করে দেয়া হয়েছিল। এসব তো এত দ্রুত ভোলার না। সুতরাং শরিফ উদ্দিন কে দিয়ে দলে কখনো ঐক্য আসতে পারে না।
কিন্তু একই দলের সম্ভাব্য প্রার্থীর পোষ্টার ফেসটুন ছিড়ে ফেলা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্তের পরিচয় দেয়া ছাড়া কিছুই না। তানোরে বিগত প্রয়াত নেতা আমিনুল হকের সময় থেকে লবিং গ্রুপিং ছিল। কিন্তু সেটা এতপরিমানে চিলনা। দুগ্রুপের মারপিট সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু হত্যার মত সংঘর্ষ হয়নি।
যা তিনি শুরু করেছেন। তার সাতে তৃনমুলের নেতাকর্মীরা কথা বলতে পারেনা। হাতে গোনা তার নেতা ছাড়া কোন তৃনমুল কর্মীর মূল্য নেই। স্বৈরাচার সরকারের পতনের আগে ও পরে সাবেক মেয়র বহিস্কৃত নেতা মিজানের সাথে দ্বন্দ্বের কারনে তানোর পৌরসভায় কোন সভা সমাবেশ করতে পারেনি শরিফ উদ্দিন।
গত দূর্গা পূজায় মিল হওয়ার পর থেকে পৌরসভায় ঢুকতে পারেন শরিফ উদ্দিন। পতনের আগে গোকুল গ্রামে সভার আহবান করেছিল মালেক গ্রুপের নেতাকর্মীরা। কিন্তু সেই সভায় হামলা চালিয়ে পন্ড করে দেয়া হয়েছিল। এসব তো এত দ্রুত ভোলার না। সুতরাং শরিফ উদ্দিন কে দিয়ে দলে কখনো ঐক্য আসতে পারে না।
মনোনয়ন প্রত্যাশী কেএম জুয়েল জানান, বিগত ১৯৯৬,২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু দলের নির্দেশে নির্বাচন করিনি। জন্মের পর থেকে বা পারিবারিক ভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত। কোন অপকর্মে জড়িত না। সচ্ছতার সাথে রাজনীতি করে আসছি।
তিনি আরো জানান ১/১১ সময় রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। আশা করছি ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিকে দল মূলয়ায়ন করলে মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানান তিনি।
তিনি আরো জানান ১/১১ সময় রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। আশা করছি ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিকে দল মূলয়ায়ন করলে মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানান তিনি।
মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকা এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক জানান, বিগত সময়ে কারা ভোগ করেছি, নির্যাতন সহ্য করে দলের তৃনমুলের সাথে সার্বক্ষনিক ছিলাম আছি। ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ অপর পক্ষের হামলার শিকার হয়েছি, নেতাকর্মীরাও হামলার শিকার হয়েছে।
তারপরও সহিংস রাজনীতি করিনি। সম সময় সৌহার্দ্য মনোভাব নিয়ে রাজনীতি করেছি। মনোনয়ন চাওয়ার অধিকার রয়েছে সবার। দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে কাজ করতে হবে একজন প্রার্থী হিসেবে এমন রাজনৈতিক আচরণ হওয়া দরকার। কিন্তু মনোনয়ন চাওয়ার কারনে নিজ দলের দ্বারা হামলা কখনো কাম্য না।
তারপরও সহিংস রাজনীতি করিনি। সম সময় সৌহার্দ্য মনোভাব নিয়ে রাজনীতি করেছি। মনোনয়ন চাওয়ার অধিকার রয়েছে সবার। দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে কাজ করতে হবে একজন প্রার্থী হিসেবে এমন রাজনৈতিক আচরণ হওয়া দরকার। কিন্তু মনোনয়ন চাওয়ার কারনে নিজ দলের দ্বারা হামলা কখনো কাম্য না।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শিক্ষাবিদ বিশ্বনাথ সরকার জানান, দলের কঠিন সময়ে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ করা হয়েছে। এখন তো নেতার অভাব নাই। হাজারো জুলুম নির্যাতন সহ্য করে দলের হাল ধরে আছি। জীবনের শেষ চাওয়া হিসেবে এমপি পদে মনোনয়ন চাইব।
দল যদি মনে করি বা মনোনয়ন দেয় তাহলে ভোট করব, আর যদি না দেয় তাহলে দল থেকে যে দায়িত্ব দেয়া হবে সেটা পালন করা হবে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যারা হত্যার রাজনীতির সাথে জড়িত তাদের কে মূলায়ন করলে দলকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে। সুতরাং তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এমন প্রার্থী কে মনোনয়ন দিতে হবে যার দ্বারা দলের লোকজন উপকৃত হবে এবং দলে ঐক্য ফিরে আসবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
দল যদি মনে করি বা মনোনয়ন দেয় তাহলে ভোট করব, আর যদি না দেয় তাহলে দল থেকে যে দায়িত্ব দেয়া হবে সেটা পালন করা হবে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যারা হত্যার রাজনীতির সাথে জড়িত তাদের কে মূলায়ন করলে দলকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে। সুতরাং তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এমন প্রার্থী কে মনোনয়ন দিতে হবে যার দ্বারা দলের লোকজন উপকৃত হবে এবং দলে ঐক্য ফিরে আসবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব