গত ১০ জুলাই বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ভূয়া স্কুল খুলে ২১ পরিবার নিঃস্ব করেছে জামায়াত নেতা শিরোনামে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনিছুর রহমান। প্রকাশিত সংবাদটি সত্য নয় বলে দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এতে অভিযুক্ত পরিচালক ও শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা না বলে এবং সত্যতা যাছাই না করে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।
পরিচালক আনিছুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, খবরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাউনিয়ারচর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারি ২১ টি পরিবারের কাছ থেকে ভূয়া স্কুল বানিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জামায়াত নেতা আনিছুর রহমান ও ভাতিজি জামাই মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। আমরা সুস্থ্য ও স¦-জ্ঞানে জানাচ্ছি, এ ধরনের সংবাদ সম্পুর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মানহানিকর।
আমরা কোন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে কোন টাকা নেয়া হয়নি। বরং বরাবর নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে চলেছি। উল্লেখ্য যে, স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় দেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিলো এবং স্কুলটির সভাপতি ছিলেন রাজিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান শিক্ষক রাজিবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আজিম উদ্দিন মাষ্টার। সে সময় আমি জামায়াতের দল করি বলে আমাকে স্কুলের হিসাব পাতি দেয়া হয়নি। যারা আমার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন, তাদের কাছে প্রমানের দাবী করছি।
অপরদিকে একটি কুচক্রী মহল পূর্বপরিকল্পিতভাবে সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সাংবাদিকদেরকে ভূল ও ভ্রান্ত তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রচার করিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান, সহকারি প্রধান শিক্ষক ইছমে জাহান, সহকারি শিক্ষক রেহেনা আকতার, আরিফুল ইসলাম বলেন, স্কুলটি ২০১৬ সালে স্থাপিত হয়। তখন আমরা শিক্ষকতা করার উদ্দেশ্যে নিয়োগ নেই। তবে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়তে যেমন প্রতিষ্ঠানের জায়গা ক্রয়, মাটি ভরাট ও স্কুলঘর নির্মান, শিক্ষার্থীদের ভ্যান ক্রয় ও টিফিনের ব্যায়সহ কিছু খরচের বিষয় রয়েছে। সেই জন্য আমরা যার যেমন সামর্থন অনুযায়ী টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগীতা করেছি। যাহা সম্পন্ন বৈধ এবং আলোচনা সাপেক্ষে। আমরা এ ধরনের অসত্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জমি দাতা তাজুল ইসলাম, আবুল কাশেম বলেন, এলাকায় একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষে ২১ শতাংশ জমি দিয়েছি। ৫ বছর চলার পর বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি গড়তে টাকা পয়সার দরকার হয়েছে। টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ভুয়া ও মিথ্যা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
পরিচালক আনিছুর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, খবরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাউনিয়ারচর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারি ২১ টি পরিবারের কাছ থেকে ভূয়া স্কুল বানিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জামায়াত নেতা আনিছুর রহমান ও ভাতিজি জামাই মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। আমরা সুস্থ্য ও স¦-জ্ঞানে জানাচ্ছি, এ ধরনের সংবাদ সম্পুর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মানহানিকর।
আমরা কোন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে কোন টাকা নেয়া হয়নি। বরং বরাবর নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে চলেছি। উল্লেখ্য যে, স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় দেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিলো এবং স্কুলটির সভাপতি ছিলেন রাজিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান শিক্ষক রাজিবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আজিম উদ্দিন মাষ্টার। সে সময় আমি জামায়াতের দল করি বলে আমাকে স্কুলের হিসাব পাতি দেয়া হয়নি। যারা আমার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন, তাদের কাছে প্রমানের দাবী করছি।
অপরদিকে একটি কুচক্রী মহল পূর্বপরিকল্পিতভাবে সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সাংবাদিকদেরকে ভূল ও ভ্রান্ত তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রচার করিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান, সহকারি প্রধান শিক্ষক ইছমে জাহান, সহকারি শিক্ষক রেহেনা আকতার, আরিফুল ইসলাম বলেন, স্কুলটি ২০১৬ সালে স্থাপিত হয়। তখন আমরা শিক্ষকতা করার উদ্দেশ্যে নিয়োগ নেই। তবে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়তে যেমন প্রতিষ্ঠানের জায়গা ক্রয়, মাটি ভরাট ও স্কুলঘর নির্মান, শিক্ষার্থীদের ভ্যান ক্রয় ও টিফিনের ব্যায়সহ কিছু খরচের বিষয় রয়েছে। সেই জন্য আমরা যার যেমন সামর্থন অনুযায়ী টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগীতা করেছি। যাহা সম্পন্ন বৈধ এবং আলোচনা সাপেক্ষে। আমরা এ ধরনের অসত্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
জমি দাতা তাজুল ইসলাম, আবুল কাশেম বলেন, এলাকায় একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষে ২১ শতাংশ জমি দিয়েছি। ৫ বছর চলার পর বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি গড়তে টাকা পয়সার দরকার হয়েছে। টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ভুয়া ও মিথ্যা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব