বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
বিশ্ব পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা
logo

পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডকে পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক দিন ধরে ‘রেকি’ করে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে। বুধবার (৬ মে) রাতে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে পাশে নিয়েই এ বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ স্থানীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতাল চত্বরে শুভেন্দু অধিকারী জানান, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক যোগসূত্র থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘মৃতের পরিবারের দেখাশোনা এবং আহতদের চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব দল বহন করবে।’

শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক (ডিজি) সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের গোপনীয়তা বজায় রাখতে পুলিশের কাছ থেকে আগাম কোনো তথ্য তিনি চাননি। আপাতত পুলিশের তদন্তের ওপরই আস্থা রাখছেন জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দোষীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসবে।

সহকর্মী নিহতের ঘটনায় ক্ষোভ থাকলেও দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের প্রতি সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। কাউকে আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি এলাকায় শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

খুনের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপি সমর্থকরা দলে দলে ভিড় করতে থাকেন মধ্যমগ্রামে। যশোর রোড অবরোধ করে চলতে থাকে বিক্ষোভ। স্থানীয় বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষের নাম করেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে। যদিও রথীনের বক্তব্য, ‘আমরাও এই ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত চাইছি।’ উত্তেজিত বিজেপি সমর্থকরা ডিজিপির গাড়ি আটকেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

তাঁদের দাবি, শপথগ্রহণের ঠিক আগে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিতে হবে। ক্ষোভের আগুন যাতে ছড়াতে না পারে, সেজন্য পুরো এলাকাজুড়ে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

খুঁজুন