ঈদুল আযহা মানেই ঘরে ঘরে মাংসের নানা পদের আয়োজন। আর এই আয়োজনের মূল অনুষঙ্গ হলো গরম মসলা। কিন্তু কোরবানি ঈদ ঘনিয়ে আসতেই খুলনাসহ দেশের খুচরা মসলার বাজারে যেন আগুন লেগেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ আমদানি বা জোগানে কোনো ঘাটতি না থাকলেও, কেবল সিন্ডিকেট আর প্রশাসনের তদারকির অভাবেই খুচরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন।
আকাশছোঁয়া মসলার বাজার:
এক নজরে বর্তমান দরদাম খুলনা নগরীর বড় বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গরম মসলার দামের এক ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে এই দাম আরও চড়া।
মসলার নাম বর্তমান খুচরা মূল্য (প্রতি কেজি): এলাচ ৫,২০০ টাকা দারুচিনি ৪৪০ টাকা গোলমরিচ ১,১০০ থেকে ১,৪০০ টাকা লবঙ্গ ১,৩৫০ থেকে ১,৬০০ টাকা
ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা যা বলছেন:
যুগলবন্দী অজুহাত: ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি (যেমন: আমেরিকা ও ইরান উত্তেজনা) এবং পাইকারি বাজারের মূল্যবৃদ্ধির কারণেই দাম বেড়েছে। বড় বাজারের ব্যবসায়ী শেখ তানভীর হোসেন জানান, রমজানের ঈদের চেয়েও এখন ভালো মানের এলাচের দাম কেজিতে প্রায় ৭০০-৮০০ টাকা বেড়েছে।
সরবরাহ প্রচুর, তাও কেন দাম বেশি?: খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে মসলার কোনো ঘাটতি নেই এবং আগামী সপ্তাহে নতুন চালান ঢুকবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী মোঃ রেজাউল ইসলাম। ফলে কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত স্পষ্ট।
ক্রেতাদের ক্ষোভ ও তদারকির অভাব: সাধারণ ক্রেতাদের মতে, প্রতিবছর কোরবানি এলে মসলার দাম বাড়ানো একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। রূপসার ক্রেতা মাহবুবুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমদানিতে ঘাটতি না থাকলেও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার অস্থিতিশীল করছে।" অন্যদিকে গোলাম ছামদানি সাকিব নামে আরেক ক্রেতা জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।
খাতুনগঞ্জের গোডাউনে মসলার পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে দামের এই লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি স্পষ্টতই নজরদারির অভাবকে নির্দেশ করে। ঈদ উদযাপনে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পর্যাপ্ত আমদানির পরও মসলার বাজারে 'আগুন'
পর্যাপ্ত আমদানির পরও মসলার বাজারে 'আগুন'
ঈদুল আযহা মানেই ঘরে ঘরে মাংসের নানা পদের আয়োজন। আর এই আয়োজনের মূল অনুষঙ্গ হলো গরম মসলা। কিন্তু কোরবানি ঈদ ঘনিয়ে আসতেই খুলনাসহ দেশের খুচরা মসলার বাজারে যেন আগুন লেগেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ আমদানি বা জোগানে কোনো ঘাটতি না থাকলেও, কেবল সিন্ডিকেট আর প্রশাসনের তদারকির অভাবেই খুচরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। আকাশছোঁয়া মসলার বাজার: এক নজরে বর্তমান দরদাম খুলনা নগরীর বড় বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গরম মসলার দামের এক ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে এই দাম আরও চড়া। মসলার নাম বর্তমান খুচরা মূল্য (প্রতি কেজি): এলাচ ৫,২০০ টাকা দারুচিনি ৪৪০
টাকা গোলমরিচ ১,১০০ থেকে ১,৪০০ টাকা লবঙ্গ ১,৩৫০ থেকে ১,৬০০ টাকা ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা যা বলছেন:যুগলবন্দী অজুহাত: ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি (যেমন: আমেরিকা ও ইরান উত্তেজনা) এবং পাইকারি বাজারের মূল্যবৃদ্ধির কারণেই দাম বেড়েছে। বড় বাজারের ব্যবসায়ী শেখ তানভীর হোসেন জানান, রমজানের ঈদের চেয়েও এখন ভালো মানের এলাচের দাম কেজিতে প্রায় ৭০০-৮০০ টাকা বেড়েছে।সরবরাহ প্রচুর, তাও কেন দাম বেশি?: খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে মসলার কোনো ঘাটতি নেই এবং আগামী সপ্তাহে নতুন চালান ঢুকবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী মোঃ রেজাউল ইসলাম। ফলে কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত স্পষ্ট। ক্রেতাদের ক্ষোভ ও তদারকির অভাব: সাধারণ ক্রেতাদের মতে, প্রতিবছর
কোরবানি এলে মসলার দাম বাড়ানো একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। রূপসার ক্রেতা মাহবুবুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমদানিতে ঘাটতি না থাকলেও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার অস্থিতিশীল করছে।" অন্যদিকে গোলাম ছামদানি সাকিব নামে আরেক ক্রেতা জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। খাতুনগঞ্জের গোডাউনে মসলার পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে দামের এই লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি স্পষ্টতই নজরদারির অভাবকে নির্দেশ করে। ঈদ উদযাপনে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত