বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
সারাবাংলা প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া নিজ কন‌্যা‌কে হত‌্যা ক‌রে পাষণ্ড বাবা-মা
logo

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া নিজ কন‌্যা‌কে হত‌্যা ক‌রে পাষণ্ড বাবা-মা

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নবম শ্রেণী পড়ুয়া নিজ কন্যাকে নির্মমভাবে হত্যা করে আপন বাবা-মা। সন্তানকে হত্যার দায়ে বাবা জাহিদুর ইসলামসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সোমবার (১২ মার্চ) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।

গ্রেপ্তার জাহিদুল সদরের হলোখানা ইউনিয়নের কাগজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। হত্যার শিকার স্কুল ছাত্রী জান্নাতি (১৫) জাহিদুল ইসলামের কন্যা।

পুলিশ জানায়, মো. জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রতিবেশি মজিবর রহমানের ৩২ বিঘা জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। জাহিদুল ইসলাম তার প্রতিপক্ষ মজিবরদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পনা করে গত শনিবার গভীর রাতে তার স্ত্রী ও ভাইয়ের স্ত্রীর সহযোগিতায় মেয়ে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী নিজ কন্যা জান্নাতি খাতুন (১৫)কে রড ও দা দিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে  হত্যা করে ভুট্টা খেতে ফেলে রাখে এবং নিজের খড়ের পালায় আগুন লাগিয়ে দেয়।

পরে হত্যার ঘটনায় নিহতের চাচা মো. খলিল হক (৫৫) বাদি হয়ে কুড়িগ্রাম থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। এজাহার দায়েরের পর কুড়িগ্রাম থানার একটি টিম উক্ত হত্যাকান্ডের বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে জানতে পারে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজ কন্যাকে হত্যা করে বাবা-মা।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ও ওসি ডিবি বজলার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তকারী অফিসার কুড়িগ্রাম থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ ও ডিবি পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিকভাবে অনুসন্ধান শুরু করে। মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে উক্ত ঘটনার মূলরহস্য উদঘাটনসহ মূল ঘাতক নিহতের বাবা মো. জাহিদুল ইসলাম (৪৫) মা মোছা: মোর্শেদা (৩৮) বেগম ও চাচী মোছা. শাহিনুর বেগম (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে। পরে আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন