পেটের তাগিদ আর পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে আন্দোলন যে শুধু শ্রমিকের একার থাকে না, তা প্রমাণ করলেন খুলনার পাটকল শ্রমিকরা। বকেয়া বেতন আদায় এবং কাঁচাপাট রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন তারা।
আজ বুধবার (২০ মে) সকাল সোয়া দশটা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে কেবল শ্রমিকরাই নন, ঘরের চুলো জ্বলবে কি না সেই শঙ্কায় শামিল হয়েছেন তাদের স্ত্রী-সন্তানরাও।
একই দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দৌলতপুর এলাকাও। বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন (বিজেএ) ভবনের সামনের সড়কটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। দৌলতপুর জুট প্রেস এন্ড বেলিংওয়ার্কার্স ইউনিয়নের (১১৫৫) ব্যানারে এই অবরোধ ও বিশাল বিক্ষোভ মিছিল চলছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিক পরিবারগুলোর কণ্ঠে এখন শুধুই বেঁচে থাকার আকুতি। সন্তানদের হাত ধরে রাজপথে নামা এক নারী জানান, বকেয়া বেতন না পাওয়ায় ঘরে খাবার নেই, সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধের উপক্রম। তাই বাধ্য হয়েই তারা আজ স্বামীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কাঁচাপাট রপ্তানির পথ উন্মুক্ত করা এবং অবিলম্বে তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা না হলে এই আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
সড়ক অবরোধের ফলে খুলনা-যশোর মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। তবে নিজেদের অস্তিত্বের এই লড়াইয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়তে নারাজ আন্দোলনকারীরা।
পরিবারের মুখে অন্ন আর কাঁচাপাটের সুদিনের দাবিতে খুলনায় রাজপথে শ্রমিকরা: দ্বিতীয় দিনেও মহাসড়ক অবরুদ্ধ
পরিবারের মুখে অন্ন আর কাঁচাপাটের সুদিনের দাবিতে খুলনায় রাজপথে শ্রমিকরা: দ্বিতীয় দিনেও মহাসড়ক অবরুদ্ধ
পেটের তাগিদ আর পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে আন্দোলন যে শুধু শ্রমিকের একার থাকে না, তা প্রমাণ করলেন খুলনার পাটকল শ্রমিকরা। বকেয়া বেতন আদায় এবং কাঁচাপাট রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন তারা। আজ বুধবার (২০ মে) সকাল সোয়া দশটা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে কেবল শ্রমিকরাই নন, ঘরের চুলো জ্বলবে কি না সেই শঙ্কায় শামিল হয়েছেন তাদের স্ত্রী-সন্তানরাও।
একই দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দৌলতপুর এলাকাও। বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন (বিজেএ) ভবনের সামনের সড়কটি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। দৌলতপুর জুট প্রেস এন্ড বেলিংওয়ার্কার্স ইউনিয়নের (১১৫৫) ব্যানারে এই অবরোধ ও বিশাল বিক্ষোভ মিছিল চলছে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিক পরিবারগুলোর কণ্ঠে এখন শুধুই বেঁচে থাকার আকুতি। সন্তানদের হাত ধরে রাজপথে নামা এক নারী জানান, বকেয়া বেতন না পাওয়ায় ঘরে খাবার নেই, সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধের উপক্রম।
তাই বাধ্য হয়েই তারা আজ স্বামীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কাঁচাপাট রপ্তানির পথ উন্মুক্ত করা এবং অবিলম্বে তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা না হলে এই আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। সড়ক অবরোধের ফলে খুলনা-যশোর মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। তবে নিজেদের অস্তিত্বের এই লড়াইয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়তে নারাজ আন্দোলনকারীরা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত