নওগাঁর তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষকদের দায়ের করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত দাবি করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন বিদ্যালয়ের ৭১জন অভিভাবক।
রোববার (১০ মে) উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর দেওয়া আবেদনে অভিভাবকরা উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক সহকারী শিক্ষক দপ্তরীর কাছ থেকে অতিরিক্ত খাবার ও ডিম নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলে আবেদনে দাবি করা হয়। পরে বিষয়টি আড়াল করতে প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকজন সহকারী শিক্ষক গ্রামে গ্রামে গিয়ে অভিভাবকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির চেষ্টা চালিয়েছেন। তদন্তের দিন উপস্থিত থাকার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছেও চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
অভিভাবকদের দাবি, বর্তমান প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, শ্রেণিকক্ষে দেরিতে প্রবেশ, পাঠদানের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃতীয় সাময়িক মূল্যায়নের সময় চলমান ১১তম গ্রেড আন্দোলনের কারণে কয়েকজন সহকারী শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেননি বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী মিলে পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন বলে দাবি করা হয়।
অভিভাবকরা বলেন, “একজন দক্ষ ও পরিশ্রমী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ আনা হয়েছে। সত্য উদঘাটন ছাড়াই তাকে সরিয়ে দেওয়া হলে আমরা সন্তানদের বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হবো।”
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ওহেদুজ্জামান প্রামানিক বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে অভিভাবকদের আবেদন
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে অভিভাবকদের আবেদন
নওগাঁর তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষকদের দায়ের করা অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত দাবি করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন বিদ্যালয়ের ৭১জন অভিভাবক। রোববার (১০ মে) উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর দেওয়া আবেদনে অভিভাবকরা উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক সহকারী শিক্ষক দপ্তরীর কাছ থেকে অতিরিক্ত খাবার ও ডিম নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলে আবেদনে দাবি করা হয়। পরে বিষয়টি আড়াল করতে প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারীর
বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। আবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকজন সহকারী শিক্ষক গ্রামে গ্রামে গিয়ে অভিভাবকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির চেষ্টা চালিয়েছেন। তদন্তের দিন উপস্থিত থাকার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছেও চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। অভিভাবকদের দাবি, বর্তমান প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে কয়েকজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, শ্রেণিকক্ষে দেরিতে প্রবেশ, পাঠদানের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ করা হয়। এছাড়া
২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃতীয় সাময়িক মূল্যায়নের সময় চলমান ১১তম গ্রেড আন্দোলনের কারণে কয়েকজন সহকারী শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেননি বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী মিলে পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন বলে দাবি করা হয়। অভিভাবকরা বলেন, “একজন দক্ষ ও পরিশ্রমী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ আনা হয়েছে। সত্য উদঘাটন ছাড়াই তাকে সরিয়ে দেওয়া হলে আমরা সন্তানদের বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হবো।” এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ওহেদুজ্জামান প্রামানিক বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত