রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৫১ জন। এছাড়া মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছিল এমন একজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। এদিন আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির প্রথম দিন মোট ৭০টি আপিল আবেদনের শুনানি হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।
ইসি সচিব বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৫২টি। নামঞ্জুর হয়েছে ১৫টি। শুনানিতে অনুপস্থিতি ছিলেন দুজন, তারাও নামঞ্জুরের তালিকায়। এছাড়া তিনটি আবেদন পেন্ডিং রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারাসহ ৫১ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তাদের মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে তারা ইসিতে আপিল করে সফল হয়েছেন।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে আপিল হয়েছিল ইসিতে। সেই আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টিকলেন না একরামুজ্জমান। আর ১৫ জন আপিলকারীর আবেদন না-মঞ্জুর করে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন; এতে প্রার্থিতা আর ফিরল না তাদের।
এবার নির্বাচনে অংশ নিতে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থী হতে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করে ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৪২ জনে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। এদিন আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির প্রথম দিন মোট ৭০টি আপিল আবেদনের শুনানি হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।
ইসি সচিব বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৫২টি। নামঞ্জুর হয়েছে ১৫টি। শুনানিতে অনুপস্থিতি ছিলেন দুজন, তারাও নামঞ্জুরের তালিকায়। এছাড়া তিনটি আবেদন পেন্ডিং রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারাসহ ৫১ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তাদের মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে তারা ইসিতে আপিল করে সফল হয়েছেন।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে আপিল হয়েছিল ইসিতে। সেই আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টিকলেন না একরামুজ্জমান। আর ১৫ জন আপিলকারীর আবেদন না-মঞ্জুর করে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন; এতে প্রার্থিতা আর ফিরল না তাদের।
এবার নির্বাচনে অংশ নিতে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থী হতে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করে ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৪২ জনে।