জাবি প্রতিনিধি:প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় পোষ্যকোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গতকাল থেকেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন একদল শিক্ষার্থী । তবে এবার উপাচার্যের আলোচনার আশ্বাসে সাময়িকভাবে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে তারা।
গত বছর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পোষ্যকোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু চলতি সপ্তাহে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সন্তানদের ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ হিসেবে ভর্তির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
অবস্থানকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, পূর্বঘোষণা উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের আস্থার সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তাঁদের অভিযোগ, কোটা বাতিলের ঘোষণা সত্ত্বেও ভিন্ন নামে একই সুবিধা বহাল রাখার চেষ্টা চলছে।
আজ দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার এক পর্যায়ে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, "আগামী ৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজন—শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করে এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
উপাচার্য আরও বলেন, "১ মার্চ থেকে নির্ধারিত ভর্তি আবেদন কার্যক্রম যথারীতি চলবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার নজির রয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বাতিল করলে আইনি জটিলতার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।"
আলোচনার প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে আপাতত পরিস্থিতি শান্ত হলেও, ৮ মার্চের বৈঠককে ঘিরে ক্যাম্পাসে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও প্রত্যাশা।
পোষ্যকোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে জাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, আলোচনার আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার
পোষ্যকোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে জাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান, আলোচনার আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার
জাবি প্রতিনিধি:প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার আওতায় পোষ্যকোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গতকাল থেকেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন একদল শিক্ষার্থী । তবে এবার উপাচার্যের আলোচনার আশ্বাসে সাময়িকভাবে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে তারা। গত বছর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পোষ্যকোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু চলতি সপ্তাহে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সন্তানদের ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ হিসেবে
ভর্তির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অবস্থানকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, পূর্বঘোষণা উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের আস্থার সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তাঁদের অভিযোগ, কোটা বাতিলের ঘোষণা সত্ত্বেও ভিন্ন নামে একই সুবিধা বহাল রাখার চেষ্টা চলছে। আজ দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার এক পর্যায়ে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, "আগামী ৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজন—শিক্ষক,
শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করে এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।" উপাচার্য আরও বলেন, "১ মার্চ থেকে নির্ধারিত ভর্তি আবেদন কার্যক্রম যথারীতি চলবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার নজির রয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বাতিল করলে আইনি জটিলতার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।" আলোচনার প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে আপাতত পরিস্থিতি শান্ত হলেও, ৮ মার্চের বৈঠককে ঘিরে ক্যাম্পাসে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও প্রত্যাশা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত