নওগাঁর পোরশায় বরেন্দ্র উন্নয়ন কতৃপক্ষের (বিএমডিএ) গভীর নলকূপ থেকে পানি দেওয়ার নামে কৃষকদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক অপারেটরের বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কতৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকরা। তারা ঐ অপারেটরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী তুলেছেন।
অভিযোগ কারীদের মধ্যে উপজেলার নিতপুরের আব্দুল হাই, বটতলীর এজাবুল, মনিরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ও হাফিজুর রহমান জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি নওগাঁ জেলাধীন পোরশা উপজেলার অন্তর্গত জেএল নং-৭৮, বিলকৃষ্ণসদা মৌজার হাল ৪২৯৫ নং দাগের উপর অবস্থিত ডিপটিউবয়েলের (গরীর নলকূপ) স্কীম এর আওতায় চাষাবাদ করে আসছেন। কিন্তু অপারেটর কাম রেকর্ড কিপার রিয়াদ হাসান বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নীতিমালা বহির্ভূতভাবে বিঘা প্রতি অতিরিক্ত ৬০০/- (ছয়শত) টাকা কৃষকদের নিকট হতে আদায় করছেন। টাকা না দিলে জমিতে পানি না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া অবৈধভাবে স্কীমভুক্ত জমি ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ (বিশ) বিঘা জমি আবাদ করার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, তারা সকলে পোরশা উপজেলাধীন বিলকৃষ্ণসদা মৌজার ৪২৯৫ নং দাগে অবস্থিত ডিপ-টিউবয়েলের (গভীর নলকূপ) সেচ কমিটি সদস্য ও জমির মালিক। বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিধান মোতাবেক কৃষকগণ নিজনিজ টাকা রিচার্জ করে প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে পানি সেচের সুবিধা পাবেন।
অপারেটরের দায়িত্ব হল কৃষকদের জমিতে পানি দেওয়া এবং সুইস বন্ধ করা। কিন্ত তিনি তা না করে স্কীমভুক্ত জমি ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ (বিশ) বিঘা জমিতে পানি দিচ্ছে এবং স্কীমের সকল কৃষকগণের নিকট হতে অবৈধভাবে বিঘা প্রতি অতিরিক্ত ৬০০ টাকা করে আদায় করে জমিতে পানি দিচ্ছেন। অত্র স্কীমভুক্ত জমির পরিমাণ ১৪০বিঘা হলেও অপারেটর ১৬০বিঘা জমিতে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে পানি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে তারা বিভাগীয় কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্তপূর্বক জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবী করেছেন।
এবিষয়ে গভীরনলকূপ অপারেটর রিয়াদ হাসান অতিরিক্ত জমি চাষাবাদের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি স্কীমের মধ্যেই জমিতে পানি দেই। আর খরচ বেশি হওয়ার কারনে কৃষকদের নিকট থেকে বাড়তি ৬০০করে টাকা নিয়েছি।
বিএমডিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. আবুল কাশেমের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত পোরশা জোন থেকে আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
অভিযোগ কারীদের মধ্যে উপজেলার নিতপুরের আব্দুল হাই, বটতলীর এজাবুল, মনিরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ও হাফিজুর রহমান জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি নওগাঁ জেলাধীন পোরশা উপজেলার অন্তর্গত জেএল নং-৭৮, বিলকৃষ্ণসদা মৌজার হাল ৪২৯৫ নং দাগের উপর অবস্থিত ডিপটিউবয়েলের (গরীর নলকূপ) স্কীম এর আওতায় চাষাবাদ করে আসছেন। কিন্তু অপারেটর কাম রেকর্ড কিপার রিয়াদ হাসান বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নীতিমালা বহির্ভূতভাবে বিঘা প্রতি অতিরিক্ত ৬০০/- (ছয়শত) টাকা কৃষকদের নিকট হতে আদায় করছেন। টাকা না দিলে জমিতে পানি না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া অবৈধভাবে স্কীমভুক্ত জমি ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ (বিশ) বিঘা জমি আবাদ করার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, তারা সকলে পোরশা উপজেলাধীন বিলকৃষ্ণসদা মৌজার ৪২৯৫ নং দাগে অবস্থিত ডিপ-টিউবয়েলের (গভীর নলকূপ) সেচ কমিটি সদস্য ও জমির মালিক। বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিধান মোতাবেক কৃষকগণ নিজনিজ টাকা রিচার্জ করে প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে পানি সেচের সুবিধা পাবেন।
অপারেটরের দায়িত্ব হল কৃষকদের জমিতে পানি দেওয়া এবং সুইস বন্ধ করা। কিন্ত তিনি তা না করে স্কীমভুক্ত জমি ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ (বিশ) বিঘা জমিতে পানি দিচ্ছে এবং স্কীমের সকল কৃষকগণের নিকট হতে অবৈধভাবে বিঘা প্রতি অতিরিক্ত ৬০০ টাকা করে আদায় করে জমিতে পানি দিচ্ছেন। অত্র স্কীমভুক্ত জমির পরিমাণ ১৪০বিঘা হলেও অপারেটর ১৬০বিঘা জমিতে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে পানি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে তারা বিভাগীয় কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্তপূর্বক জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবী করেছেন।
এবিষয়ে গভীরনলকূপ অপারেটর রিয়াদ হাসান অতিরিক্ত জমি চাষাবাদের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি স্কীমের মধ্যেই জমিতে পানি দেই। আর খরচ বেশি হওয়ার কারনে কৃষকদের নিকট থেকে বাড়তি ৬০০করে টাকা নিয়েছি।
বিএমডিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. আবুল কাশেমের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত পোরশা জোন থেকে আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব