পঞ্চগড় জেলা শহরের সিনেমা হল মার্কেট এলাকায় ছাত্রদল কর্মী জাবেদ উমর জয় হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রধান আসামী আল আমিন (১৯) ও তার বড় ভাই আকাশ (২২) কে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামে তার এক বোনের বাসায় পালিয়ে আত্মগোপনে আশ্রয় নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শুক্রবার (১৫ আগষ্ট) চট্টগ্রামের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর শনিবার (১৬ আগষ্ট) রাত ৮টার দিকে তাদের পঞ্চগড়ে আনা হয় এবং রাতেই চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান আসামী আল আমিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে বিচারক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান আদালতের প্রক্রিয়া শেষে রাতে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সময় আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আল আমিন ও আকাশ পঞ্চগড় জেলা শহরের নতুন বস্তি এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে।
জানা গেছে, গত বুধবার (৬ আগষ্ট) রাতে পঞ্চগড় শহরের সিনেমা হল মার্কেট এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রকার্শে জনগণের সামনে জাবেদ উমর জয়কে ছুরিকাঘাত করেন আল আমিন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা জয়কে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত জয় পঞ্চগড় পৌরসভার পুরাতন ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা জহিরুল হকের ছেলে। তিনি ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট থেকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা অংশ দিচ্ছিলেন। তিনি পঞ্চগড় পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন।
এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধসহ আন্দোলনে নামেন নিহত জাবেদ উমর জয়ের প্রতিবেশী, স্বজনসহ সহপাঠীরা।
জয় হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (৮ আগষ্ট) বিকেলে নিহতের বড় ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালায়।
এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাত মিলিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামে তার এক বোনের বাসায় পালিয়ে আত্মগোপনে আশ্রয় নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শুক্রবার (১৫ আগষ্ট) চট্টগ্রামের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর শনিবার (১৬ আগষ্ট) রাত ৮টার দিকে তাদের পঞ্চগড়ে আনা হয় এবং রাতেই চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান আসামী আল আমিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে বিচারক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান আদালতের প্রক্রিয়া শেষে রাতে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সময় আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আল আমিন ও আকাশ পঞ্চগড় জেলা শহরের নতুন বস্তি এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে।
জানা গেছে, গত বুধবার (৬ আগষ্ট) রাতে পঞ্চগড় শহরের সিনেমা হল মার্কেট এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রকার্শে জনগণের সামনে জাবেদ উমর জয়কে ছুরিকাঘাত করেন আল আমিন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা জয়কে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত জয় পঞ্চগড় পৌরসভার পুরাতন ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা জহিরুল হকের ছেলে। তিনি ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট থেকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা অংশ দিচ্ছিলেন। তিনি পঞ্চগড় পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন।
এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধসহ আন্দোলনে নামেন নিহত জাবেদ উমর জয়ের প্রতিবেশী, স্বজনসহ সহপাঠীরা।
জয় হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (৮ আগষ্ট) বিকেলে নিহতের বড় ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালায়।
এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাত মিলিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি।