পেন্টাগন জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব ছাড়ছেন বলে। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, তার পদত্যাগ ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হবে।
তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন নৌবাহিনীর আন্ডারসেক্রেটারি হাং কাও।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের পদত্যাগের ধারাবাহিকতায় ফেলান সর্বশেষ সংযোজন। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত নৌ অবরোধের মধ্যেই এই পরিবর্তন এলো।
তবে ফেলানের পদত্যাগের কারণ জানানো হয়নি। পেন্টাগনের বিবৃতিতে তার অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানানো হয়েছে।
এর আগে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে পদত্যাগ করতে বলেন। পাশাপাশি জেনারেল ডেভিড হডনে এবং মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও সম্প্রতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ফেলান ২০২৫ সালের মার্চে দায়িত্ব নেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ২০২৪ সালে মনোনীত করেছিলেন। সামরিক বাহিনীতে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও তিনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী এবং ট্রাম্পের প্রচারণার বড় দাতা।
বিশ্লেষক অ্যান্ড্রু পিক মনে করেন, বাণিজ্যিক ও বেসামরিক নৌবহর সম্প্রসারণে অগ্রগতির অভাব এবং রাজনৈতিক আস্থার প্রশ্ন—দুই বিষয়ই এই পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট এই অবস্থানে ‘সন্তুষ্ট’ এবং মনে করেন ইরান বর্তমানে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ কারণে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা ‘সম্ভব নয়’।
সূত্র: বিবিসি
পদত্যাগ করছেন মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব
পদত্যাগ করছেন মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব
পেন্টাগন জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব ছাড়ছেন বলে। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, তার পদত্যাগ ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হবে। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন নৌবাহিনীর আন্ডারসেক্রেটারি হাং কাও। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের পদত্যাগের ধারাবাহিকতায় ফেলান সর্বশেষ সংযোজন। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত নৌ অবরোধের মধ্যেই এই পরিবর্তন এলো। তবে ফেলানের পদত্যাগের কারণ জানানো হয়নি। পেন্টাগনের বিবৃতিতে তার অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা
জানিয়ে ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানানো হয়েছে। এর আগে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে পদত্যাগ করতে বলেন। পাশাপাশি জেনারেল ডেভিড হডনে এবং মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও সম্প্রতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফেলান ২০২৫ সালের মার্চে দায়িত্ব নেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ২০২৪ সালে মনোনীত করেছিলেন। সামরিক বাহিনীতে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও তিনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী এবং ট্রাম্পের প্রচারণার বড় দাতা। বিশ্লেষক অ্যান্ড্রু পিক মনে করেন, বাণিজ্যিক ও বেসামরিক নৌবহর সম্প্রসারণে
অগ্রগতির অভাব এবং রাজনৈতিক আস্থার প্রশ্ন—দুই বিষয়ই এই পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট এই অবস্থানে ‘সন্তুষ্ট’ এবং মনে করেন ইরান বর্তমানে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ কারণে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা ‘সম্ভব নয়’। সূত্র: বিবিসি
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত