মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাটসহ আশপাশের এলাকাবাসীর বসতবাড়ি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ শে জানুয়ারি ২৬ ইং)পাটুরিয়া লঞ্চঘাট স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় এলাকার সাবেক ও বর্তমান একাধিক জনপ্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শিবালয় থানাধীন দাসকান্দি থেকে নয়াকান্দী পর্যন্ত যমুনা নদীর বিভিন্ন চ্যানেলে একটি সংঘবদ্ধ বালু মাফিয়া চক্র দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এর ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও দিক পরিবর্তিত হয়ে তীব্র নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বহু বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌযোগাযোগ কেন্দ্র পাটুরিয়া লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাট চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীতে ভয়াবহ স্রোতের সৃষ্টি হচ্ছে, যা সরকারি নদী রক্ষা বাঁধসহ একাধিক সরকারি স্থাপনার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৪ ও ১৫ এর লঙ্ঘন। উক্ত আইনে অনুমতি ব্যতীত বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যার জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬ ও ১২ অনুযায়ী পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
বক্তারা দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, বালু মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
পাটুরিয়ায় নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়,স্থানীয়দের দাবি কঠোর আইনি ব্যবস্থার
পাটুরিয়ায় নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়,স্থানীয়দের দাবি কঠোর আইনি ব্যবস্থার
মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাটসহ আশপাশের এলাকাবাসীর বসতবাড়ি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ শে জানুয়ারি ২৬ ইং)পাটুরিয়া লঞ্চঘাট স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় এলাকার সাবেক ও বর্তমান একাধিক জনপ্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, শিবালয় থানাধীন দাসকান্দি থেকে নয়াকান্দী পর্যন্ত যমুনা নদীর বিভিন্ন চ্যানেলে একটি সংঘবদ্ধ বালু মাফিয়া চক্র দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এর ফলে নদীর
স্বাভাবিক প্রবাহ ও দিক পরিবর্তিত হয়ে তীব্র নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বহু বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌযোগাযোগ কেন্দ্র পাটুরিয়া লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাট চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী আরও জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীতে ভয়াবহ স্রোতের সৃষ্টি হচ্ছে, যা সরকারি নদী রক্ষা বাঁধসহ একাধিক সরকারি স্থাপনার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৪ ও
১৫ এর লঙ্ঘন। উক্ত আইনে অনুমতি ব্যতীত বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যার জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬ ও ১২ অনুযায়ী পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বক্তারা দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, বালু মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত