বরগুনার পাথরঘাটায় পৌর শহরের কাজ শেষ করার পরও বিলের টাকা পরিশোধ না করায় পৌরসভার সাবেক মেয়র মো: আনোয়ার হোসেন আকনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো: সেলিম ফরাজি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন পাথরঘাটা পৌরসভার হিসাব রক্ষক মো: বেলায়েত হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মুজিবুল হায়দার এবং সাবেক পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জসিম উদ্দিন খান।
পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল তৎকালীন মেয়র আনোয়ার হোসেন আকনের ১৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৪ টাকার একটি উন্নয়নমূলক কাজের কার্যাদেশ পান ঠিকাদার সেলিম ফরাজি। পৌর সভার বিশেষ আদেশে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি কাজটি সম্পূর্ণভাবে সমাপ্ত করেন। কাজ শেষ হলেও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তার পাওনা ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৬৭৪ টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভায় ঘুরেও বিল না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নাগরিক জানান, পৌরসভার বেলায়েত হোসেন, হিসাবরক্ষক অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার পিতার কোন সম্পত্তি ছিলো না। এখন সে পৌরসভা সকল ওয়ার্ডসহ উপজেলায় আনুমানিক ৩০-৪০ একর সম্পত্তির নামে বেনামে মালিক। যা অধীকাংশ দলিল ও হিসাব ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রফিকুল ইসলাম কাকনের কাছে রয়েছে। তারা জানান পৌরসভার সকল ঠিকাদারি কাজের ৬০% শেয়ার বেলায়েতকে না দিলে কোন ঠিকাদার বিল পায় না বা কাজ করতে পারে না। অন্য জনপ্রতিনিধি জানান বেলায়েত ও তার স্ত্রীর নামে রেকর্ড রুমে তল্লাশি দিলেই দুর্নীতির বিশাল তথ্য বেড়িয়ে আসবে।
ঠিকাদার সেলিম ফরাজি সাংবাদিকদের বলেন, আমি বৈধভাবে টেন্ডার পেয়ে কাজ শেষ করেছি কিন্তু সাবেক মেয়র ও মামলায় উল্লেখিত কর্মকর্তারা আমার পাওনা টাকা আটকে রেখে আমাকে হয়রানি করছেন। আমি আমার হাড়ভাঙা খাটুনির পাওনা টাকা ফেরত ও ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি।
নির্বহী প্রকৌশলী মুজিবুল হায়দার টেলিফোনে সেলিম ফরাজীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ করার কথা স্বীকার করে জানান, ঠিকাদার সেলিম ফরাজির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রনী এন্টারপ্রাইজ অনেক কাজ করেছেন কিন্তু ঠিকাদারের মোট পাওনার হিসাব তার জানা নেই বলেও জানান।
পাথরঘাটায় সাবেক মেয়রসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের মামলা
পাথরঘাটায় সাবেক মেয়রসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের মামলা
বরগুনার পাথরঘাটায় পৌর শহরের কাজ শেষ করার পরও বিলের টাকা পরিশোধ না করায় পৌরসভার সাবেক মেয়র মো: আনোয়ার হোসেন আকনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো: সেলিম ফরাজি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরের দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন পাথরঘাটা পৌরসভার হিসাব রক্ষক মো: বেলায়েত হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মুজিবুল হায়দার এবং সাবেক পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জসিম উদ্দিন খান। পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল তৎকালীন মেয়র আনোয়ার হোসেন আকনের ১৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৪ টাকার একটি উন্নয়নমূলক কাজের কার্যাদেশ পান
ঠিকাদার সেলিম ফরাজি। পৌর সভার বিশেষ আদেশে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি কাজটি সম্পূর্ণভাবে সমাপ্ত করেন। কাজ শেষ হলেও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তার পাওনা ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৬৭৪ টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভায় ঘুরেও বিল না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নাগরিক জানান, পৌরসভার বেলায়েত হোসেন, হিসাবরক্ষক অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার পিতার কোন সম্পত্তি ছিলো না। এখন সে পৌরসভা সকল ওয়ার্ডসহ উপজেলায় আনুমানিক ৩০-৪০ একর সম্পত্তির নামে বেনামে মালিক। যা অধীকাংশ দলিল ও হিসাব ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রফিকুল ইসলাম কাকনের কাছে রয়েছে। তারা জানান পৌরসভার সকল ঠিকাদারি কাজের ৬০% শেয়ার বেলায়েতকে
না দিলে কোন ঠিকাদার বিল পায় না বা কাজ করতে পারে না। অন্য জনপ্রতিনিধি জানান বেলায়েত ও তার স্ত্রীর নামে রেকর্ড রুমে তল্লাশি দিলেই দুর্নীতির বিশাল তথ্য বেড়িয়ে আসবে। ঠিকাদার সেলিম ফরাজি সাংবাদিকদের বলেন, আমি বৈধভাবে টেন্ডার পেয়ে কাজ শেষ করেছি কিন্তু সাবেক মেয়র ও মামলায় উল্লেখিত কর্মকর্তারা আমার পাওনা টাকা আটকে রেখে আমাকে হয়রানি করছেন। আমি আমার হাড়ভাঙা খাটুনির পাওনা টাকা ফেরত ও ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি। নির্বহী প্রকৌশলী মুজিবুল হায়দার টেলিফোনে সেলিম ফরাজীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ করার কথা স্বীকার করে জানান, ঠিকাদার সেলিম ফরাজির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রনী এন্টারপ্রাইজ অনেক কাজ করেছেন কিন্তু ঠিকাদারের মোট পাওনার হিসাব তার জানা নেই বলেও জানান।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত