বাংলাদেশ দল মিরপুর টেস্ট জয়ের পর সিলেটেও দাপুটে পারফরম্যান্স ধরে রাখল। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানের ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। এতে ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের শুরুতে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল তিনটি উইকেট। আগের দিন ৭ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে ব্যাট করছিল সফরকারীরা।
দিনের শুরুতে অষ্টম উইকেটে রিজওয়ান ও সাজিদ খানের মধ্যে গড়ে ওঠা ৫০ রানের বেশি জুটি পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরার আশা জাগায়। তবে সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর একে একে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৭৮ রানের ব্যবধানে হার মানে পাকিস্তান।
চতুর্থ দিনের শেষে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৭ উইকেটে ৩১৭ রান। শুরুতেই রিজওয়ানের একটি ক্যাচ মিস করেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা, যা কিছুটা চাপ তৈরি করে। তবে পরে তাইজুলের ধারাবাহিক বোলিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় বাংলাদেশ।
তাইজুল ইসলামের স্পিনে ভেঙে যায় গুরুত্বপূর্ণ জুটি, এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসেন। শেষ পর্যন্ত তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই জয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের।
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
বাংলাদেশ দল মিরপুর টেস্ট জয়ের পর সিলেটেও দাপুটে পারফরম্যান্স ধরে রাখল। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানের ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। এতে ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের শুরুতে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২০ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল
তিনটি উইকেট। আগের দিন ৭ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে ব্যাট করছিল সফরকারীরা। দিনের শুরুতে অষ্টম উইকেটে রিজওয়ান ও সাজিদ খানের মধ্যে গড়ে ওঠা ৫০ রানের বেশি জুটি পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরার আশা জাগায়। তবে সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর একে একে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৭৮ রানের ব্যবধানে হার মানে পাকিস্তান। চতুর্থ দিনের শেষে পাকিস্তানের স্কোর
ছিল ৭ উইকেটে ৩১৭ রান। শুরুতেই রিজওয়ানের একটি ক্যাচ মিস করেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা, যা কিছুটা চাপ তৈরি করে। তবে পরে তাইজুলের ধারাবাহিক বোলিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলামের স্পিনে ভেঙে যায় গুরুত্বপূর্ণ জুটি, এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসেন। শেষ পর্যন্ত তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই জয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত