তৃতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। শেষ দিকে সালমান আলি আগার লড়াই সত্ত্বেও জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানেই তিন উইকেট হারায় সফরকারীরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ৬ রানে ফেরান তাসকিন। পরের ওভারে নাহিদ রানা আউট করেন মাজ সাদাকাতকে ৬ রানে। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ৪ রানে ফিরিয়ে দেন তাসকিন।
চাপে পড়া পাকিস্তানকে টানার চেষ্টা করেন গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ। তবে বড় জুটি গড়া হয়নি তাদের। ঘুরি ৩৯ বলে ২৯ এবং সামাদ ৪৫ বলে ৩৪ রান করে আউট হন। একশ রানের আগেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান।
সেখান থেকে দলের হাল ধরেন সালমান আলি আগা। তাকে সঙ্গ দেন অভিষিক্ত ব্যাটার সাদ মাসুদ। দুজনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পায় পাকিস্তান। তবে ৩৮ রান করা মাসুদকে মুস্তাফিজুর রহমান বোল্ড করলে ভাঙে এই জুটি।
ক্রিজে নেমে ফাহিম আশরাফ সালমানকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে বেশিক্ষণ থাকতে দেননি তাসকিন। ৯ রান করে বোল্ড হন তিনি। শেষ পর্যন্ত সালমান আলি আগা একাই লড়াই চালিয়ে যান, কিন্তু দলকে জয়ের কাছে নিয়েও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি পাকিস্তান।
বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার তাসকিন আহমেদ। তিনি একাই চারটি উইকেট নেন।
এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৫ রান।
ইনিংসের ১৯তম ওভারে শাহীন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। আউট হওয়ার আগে ৫৫ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। হারিস রউফের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৭ রান।
এরপর অভিষেক সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ৪৭ বলে ফিফটি করার পর আরও ৪৯ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা।
চতুর্থ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন। লিটন ৪১ রান করে আউট হন। এরপর নামা রিশাদ হোসেন প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন।
শেষদিকে আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন তাওহীদ হৃদয়। তিনি অপরাজিত থাকেন ৪৪ বলে ৪৮ রানে। আফিফ অপরাজিত থাকেন ৫ রানে। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৯০ রানে।
পাকিস্তানের হয়ে হারিস রউফ তিনটি উইকেট নেন। আবরার আহমেদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি একটি করে উইকেট পান।
পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
তৃতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। শেষ দিকে সালমান আলি আগার লড়াই সত্ত্বেও জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানেই তিন উইকেট হারায় সফরকারীরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ৬ রানে ফেরান তাসকিন। পরের ওভারে নাহিদ রানা আউট করেন মাজ সাদাকাতকে ৬ রানে। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ৪ রানে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। চাপে পড়া পাকিস্তানকে টানার চেষ্টা করেন গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ। তবে বড় জুটি গড়া হয়নি তাদের। ঘুরি ৩৯ বলে ২৯ এবং সামাদ ৪৫ বলে ৩৪ রান করে আউট হন। একশ রানের আগেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান। সেখান থেকে দলের
হাল ধরেন সালমান আলি আগা। তাকে সঙ্গ দেন অভিষিক্ত ব্যাটার সাদ মাসুদ। দুজনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পায় পাকিস্তান। তবে ৩৮ রান করা মাসুদকে মুস্তাফিজুর রহমান বোল্ড করলে ভাঙে এই জুটি। ক্রিজে নেমে ফাহিম আশরাফ সালমানকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে বেশিক্ষণ থাকতে দেননি তাসকিন। ৯ রান করে বোল্ড হন তিনি। শেষ পর্যন্ত সালমান আলি আগা একাই লড়াই চালিয়ে যান, কিন্তু দলকে জয়ের কাছে নিয়েও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার তাসকিন আহমেদ। তিনি একাই চারটি উইকেট নেন। এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৫ রান। ইনিংসের ১৯তম ওভারে শাহীন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। আউট হওয়ার আগে ৫৫ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড়
করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। হারিস রউফের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৭ রান। এরপর অভিষেক সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ৪৭ বলে ফিফটি করার পর আরও ৪৯ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা। চতুর্থ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন। লিটন ৪১ রান করে আউট হন। এরপর নামা রিশাদ হোসেন প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন। শেষদিকে আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন তাওহীদ হৃদয়। তিনি অপরাজিত থাকেন ৪৪ বলে ৪৮ রানে। আফিফ অপরাজিত থাকেন ৫ রানে। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৯০ রানে। পাকিস্তানের হয়ে হারিস রউফ তিনটি উইকেট নেন। আবরার আহমেদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি একটি করে উইকেট পান।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত