মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্রিকেটে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিলেন। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
সোমবার (১৮ মে) তৃতীয় দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩২৫ রান। প্রথম ইনিংসের লিডসহ টাইগারদের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৭১ রান।
১৭৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিকুর রহিম। ইনিংসটিতে তিনি ৯টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিকও হয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
১৫৬ রানের লিড নিয়ে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন ১৩ রানে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ক্রিজে নামেন মুশফিক। তবে দিনের পঞ্চম ওভারেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন শান্ত। ৪৬ বলে ১৫ রান করেন তিনি।
এরপর লিটন দাসকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়েন মুশফিক। ৪১তম ওভারে লিটনের সিঙ্গেলে বাংলাদেশের লিড ২০০ রান ছাড়ায়। দুজনে মিলে অবিচ্ছিন্ন ৮৮ রানের জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন। লাঞ্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের লিড ছিল ২৪৯ রান।
লাঞ্চের পর দ্রুতই ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন দাস। দুই ইনিংস মিলিয়ে এ ম্যাচে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানও করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। এর আগে ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯৩ রান করেছিলেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের ইনিংস খেলা লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ রান করে আউট হন। অন্যদিকে মুশফিক ১০৩ বলে নিজের ৩০তম টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করার পর সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন।
মেহেদী হাসান মিরাজ উইকেটে থিতু হলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩৯ বলে ১৯ রান করে ফেরেন তিনি।
এর আগে পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে অলআউট করে ৪৬ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ। সেই লিডের ওপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ
মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্রিকেটে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিলেন। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। সোমবার (১৮ মে) তৃতীয় দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩২৫ রান। প্রথম ইনিংসের লিডসহ টাইগারদের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৭১ রান। ১৭৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিকুর রহিম। ইনিংসটিতে তিনি ৯টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিকও হয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ১৫৬ রানের লিড নিয়ে দিন শুরু করে বাংলাদেশ।
আগের দিন ১৩ রানে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ক্রিজে নামেন মুশফিক। তবে দিনের পঞ্চম ওভারেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন শান্ত। ৪৬ বলে ১৫ রান করেন তিনি। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে দারুণ জুটি গড়েন মুশফিক। ৪১তম ওভারে লিটনের সিঙ্গেলে বাংলাদেশের লিড ২০০ রান ছাড়ায়। দুজনে মিলে অবিচ্ছিন্ন ৮৮ রানের জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন। লাঞ্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের লিড ছিল ২৪৯ রান। লাঞ্চের পর দ্রুতই ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন দাস। দুই ইনিংস মিলিয়ে এ ম্যাচে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানও করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। এর আগে ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার
বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯৩ রান করেছিলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের ইনিংস খেলা লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ রান করে আউট হন। অন্যদিকে মুশফিক ১০৩ বলে নিজের ৩০তম টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করার পর সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন। মেহেদী হাসান মিরাজ উইকেটে থিতু হলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩৯ বলে ১৯ রান করে ফেরেন তিনি। এর আগে পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে অলআউট করে ৪৬ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ। সেই লিডের ওপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত