জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, অভ্যুত্থানের পর দেশে গঠিত নতুন ব্যবস্থায় পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবসা আবারও চালু হয়েছে। চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে ক্ষমতার অপব্যবহার পর্যন্ত একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
তিনি বুধবার (৫ নভেম্বর) দিনব্যাপী পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কমারা, মাগুড়া, গড়ীনাবাড়ি, কামাত কাজলদীঘি, অমরখানা, ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)'র ইউনিয়ন কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত পৃথক সভায় এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় গুলি চালিয়ে প্রায় হাজারের অধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং অভ্যুত্থানের পর গঠিত নতুন ব্যবস্থায় আগের রাজনৈতিক দলগুলো আবারও ধান্দাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পূর্বের সিস্টেম আবার চালু হতে শুরু করেছে এবং কেউ কেউ সুযোগ পেয়ে তার থেকেও খারাপ অবস্থা তৈরী করছে। চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে ক্ষমতার অপব্যবহার পর্যন্ত একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
তিনি আরও বলেন, গত আগষ্ট থেকে ফেব্রুয়ারী টানা ৬ মাস আমরা কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে ছিলাম না। কিন্তু যখন দেখলাম, বাংলাদেশের এই অবস্থাটা যদি আমরা না সামলাই, তাহলে আবারও কালো শুকুনদের হাতে দেশটা চলে যাবে। একটি অভ্যুত্থান ঘটানোর পর আমাদের দায়িত্ব শেষ নয়। যারা জীবন দিয়েছে, আহত হয়েছে- তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের জীবন শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এই অপকর্মকারীরা যেই দলেরই হোক না কেনো, যেই পরিচয়েরই হোক না কেনো- তাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে, বলে সারজিস আলম বলেন।
তিনি উপস্থিত এনসিপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার পাশাপাশি সৎ ও জবাবদিহিমূলক শাসনের দাবীতে সোচ্চার থাকার আহবান জানান।
সারজিস বলেন, আমরা পরনির্ভরশীল রাজনীতি করতে আসিনি। আগে নিজেদের ভিত্তি শক্ত করতেই আমরা কাজ করছি। চলতি মাসে ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে আহবায়ক ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হবে।
এ সময় এনসিপির জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তিনি বুধবার (৫ নভেম্বর) দিনব্যাপী পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কমারা, মাগুড়া, গড়ীনাবাড়ি, কামাত কাজলদীঘি, অমরখানা, ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)'র ইউনিয়ন কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত পৃথক সভায় এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় গুলি চালিয়ে প্রায় হাজারের অধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং অভ্যুত্থানের পর গঠিত নতুন ব্যবস্থায় আগের রাজনৈতিক দলগুলো আবারও ধান্দাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পূর্বের সিস্টেম আবার চালু হতে শুরু করেছে এবং কেউ কেউ সুযোগ পেয়ে তার থেকেও খারাপ অবস্থা তৈরী করছে। চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে ক্ষমতার অপব্যবহার পর্যন্ত একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
তিনি আরও বলেন, গত আগষ্ট থেকে ফেব্রুয়ারী টানা ৬ মাস আমরা কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে ছিলাম না। কিন্তু যখন দেখলাম, বাংলাদেশের এই অবস্থাটা যদি আমরা না সামলাই, তাহলে আবারও কালো শুকুনদের হাতে দেশটা চলে যাবে। একটি অভ্যুত্থান ঘটানোর পর আমাদের দায়িত্ব শেষ নয়। যারা জীবন দিয়েছে, আহত হয়েছে- তাদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের জীবন শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এই অপকর্মকারীরা যেই দলেরই হোক না কেনো, যেই পরিচয়েরই হোক না কেনো- তাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে, বলে সারজিস আলম বলেন।
তিনি উপস্থিত এনসিপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার পাশাপাশি সৎ ও জবাবদিহিমূলক শাসনের দাবীতে সোচ্চার থাকার আহবান জানান।
সারজিস বলেন, আমরা পরনির্ভরশীল রাজনীতি করতে আসিনি। আগে নিজেদের ভিত্তি শক্ত করতেই আমরা কাজ করছি। চলতি মাসে ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে আহবায়ক ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হবে।
এ সময় এনসিপির জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব