বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
জাতীয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দেখলেই ব্রাশফায়ার: সিএমপি কমিশনার
logo

অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দেখলেই ব্রাশফায়ার: সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রামের বন্দরগরীতে প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ড ও অস্ত্রবাজি রোধে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন । তিনি পুলিশ সদস্যদের ওয়্যারলেসে দেওয়া বার্তায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী যদি দেখা যায় তৎক্ষণাৎ সাবমেশিন গান (এসএমজি) ব্যবহার করে ‘ব্রাশফায়ার’ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কমান্ডার জানান, এই নির্দেশটি নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

সিএমপির সূত্রে জানা গেছে, কমিশনার ওয়্যারলেসে টহল দল ও থানা পুলিশকে একাধিকবার বলেছেন—‘শটগান হবে না, চায়না রাইফেলও বাদ, এখন এসএমজি ব্রাশফায়ার মুডে থাকবে।’ পাশাপাশি তিনি টহল ও অভিযানে শটগান, দুইটি গ্যাস গান এবং নাইন এমএম পিস্তল বহনের নির্দেশও দিয়েছেন। স্থায়ী চেকপোস্ট সাতটি থেকে বাড়িয়ে ১৩টি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই কঠোর নির্দেশনার পেছনে গত ৫ নভেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলীর খন্দকারপাড়া এলাকায় ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী গোলাগুলির ঘটনা রয়েছে। সেই ঘটনায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা নিহত হন এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহও আহত হন। পরের দিন একই এলাকায় আরও একজন প্রতিবন্ধী রিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন। এসব ঘটনার পর কমিশনার নতুন নির্দেশ দেন।

কমিশনার হাসিব আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেখামাত্র ব্রাশফায়ার হবে শুধুমাত্র অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের জন্য। নিরস্ত্র জনসাধারণের ওপর এটি প্রয়োগ করা হবে না। আমাদের লক্ষ্য সন্ত্রাসীদের নগরে প্রবেশের সাহস কমানো।’ তিনি আরও বলেন, পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার অধিকার আছে এবং প্রয়োজনে তিনি সব দায় গ্রহণ করবেন।

সিএমপি কর্মকর্তারা বলছেন, নির্দেশনায় পুলিশের মোবাইল পার্টি, পেট্রোল পার্টি ও ডিবি টিমসহ সব ফোর্সকে নির্দিষ্ট অস্ত্র ও সরঞ্জাম নিয়ে টহলে বের হওয়ার কথা বলা হয়েছে। পূর্ববর্তী নির্দেশনা মেনে লাইভ অ্যাম্যুনিশন ছাড়া কোনো টহল গ্রুপ মাঠে নামবে না—এভাবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

জঙ্গি-সন্ত্রাস মোকাবিলায় এই ধরনের কড়া পদক্ষেপকে কিছু পুলিশ কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় বললেও মানবাধিকার ও আইনগত দিক থেকে সতর্কতার কথাও জানায় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, অপ্রাসঙ্গিক প্রয়োগ রোধে স্পষ্ট প্রটোকল ও তত্ত্বাবধান জরুরি।

সিএমপি বলেছে, নগরে নিরাপত্তা জোরদার রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন