ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই আজ রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভূমিকম্প মহান আল্লাহর নির্ধারিত একটি প্রাকৃতিক বিষয় এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ জন দূর্ভোগ লাঘবে প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনাকে কাজে লাগায়। কিন্ত এই প্রাকৃতিক বিষয়টিই আমাদের জন্য দুর্যোগে পরিনত হয়েছে শাসকদের অদক্ষতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে।
দেশের কোন একটা শহরও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয় নাই। অথচ পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সরকারের নানা সংস্থা রয়েছে যাদের কাজ-ই হলো নগর-শহরকে পরিকল্পনামাফিক নিরাপদ করে গড়ে তোলা। কিন্তু আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য যে, সরকারের এতো এতো প্রতিষ্ঠান থাকা সত্বেও আমাদের শহরগুলো আজ মৃত্যুফাঁদে পরিনত হয়েছে। আর এর দায় অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী সকলকেই নিতেই হবে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, জাপানের মতো দেশ ভূমিকম্প প্রবণ দেশ পরিকল্পনা, প্রযুক্তি ও শৃংখলার কারণে ভূমিকম্প থেকে নিরাপদ। আর অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আমাদের নিরাপদ রাজধানী আজ ভূমিকম্পে ধ্বংশের দারপ্রান্তে। সাম্প্রতিক ভূমিকম্প নাগরিকদের মনে আতংক তৈরি করেছে। মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। এমন বাস্তবতায় সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সচ্ছতা ও নিয়মানুবর্তিতার সাথে ঝুঁকি নিরুপন করতে হবে। সেজন্য দেশের ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, গবেষকদের সাথে বিদেশি পরামর্শকদের সংযুক্ত করে হলেও ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে তা পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। পূনর্বাসনের দায় রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে; কারণ রাষ্ট্রের অবহেলা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই এসকল ঝুঁকিপূর্ণ ভবন তৈরি হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, ভূমিকম্পসহ যে কোন দুর্যোগের পরে সরকারী নানা সংস্থা নড়েচেড়ে বসে। আমরা চাই, সরকারের সংস্থাগুলো এখনই সক্রিয় হোক। আল্লাহ না করুন, যেকোনো ধরণের আপদে যেন দ্রুততার সাথে উদ্ধার কাজ শুরু করা যায়। পীরসাহেব চরমোনাই বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি দৃশ্যমান করতে হবে এবং নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আল্লাহর রহমত ছাড়া বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় নাই। সেজন্য তওবা, ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
দেশের কোন একটা শহরও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয় নাই। অথচ পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সরকারের নানা সংস্থা রয়েছে যাদের কাজ-ই হলো নগর-শহরকে পরিকল্পনামাফিক নিরাপদ করে গড়ে তোলা। কিন্তু আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য যে, সরকারের এতো এতো প্রতিষ্ঠান থাকা সত্বেও আমাদের শহরগুলো আজ মৃত্যুফাঁদে পরিনত হয়েছে। আর এর দায় অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী সকলকেই নিতেই হবে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, জাপানের মতো দেশ ভূমিকম্প প্রবণ দেশ পরিকল্পনা, প্রযুক্তি ও শৃংখলার কারণে ভূমিকম্প থেকে নিরাপদ। আর অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে আমাদের নিরাপদ রাজধানী আজ ভূমিকম্পে ধ্বংশের দারপ্রান্তে। সাম্প্রতিক ভূমিকম্প নাগরিকদের মনে আতংক তৈরি করেছে। মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। এমন বাস্তবতায় সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সচ্ছতা ও নিয়মানুবর্তিতার সাথে ঝুঁকি নিরুপন করতে হবে। সেজন্য দেশের ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, গবেষকদের সাথে বিদেশি পরামর্শকদের সংযুক্ত করে হলেও ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে তা পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। পূনর্বাসনের দায় রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে; কারণ রাষ্ট্রের অবহেলা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই এসকল ঝুঁকিপূর্ণ ভবন তৈরি হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, ভূমিকম্পসহ যে কোন দুর্যোগের পরে সরকারী নানা সংস্থা নড়েচেড়ে বসে। আমরা চাই, সরকারের সংস্থাগুলো এখনই সক্রিয় হোক। আল্লাহ না করুন, যেকোনো ধরণের আপদে যেন দ্রুততার সাথে উদ্ধার কাজ শুরু করা যায়। পীরসাহেব চরমোনাই বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি দৃশ্যমান করতে হবে এবং নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আল্লাহর রহমত ছাড়া বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় নাই। সেজন্য তওবা, ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব