মুন্সীগঞ্জ ১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ অন্যান্য বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও নেতৃত্বের কাছে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয়ের লক্ষ্যে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
গত সোমবার (০৩ নভেম্বর) আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের একক প্রার্থী নির্ধারণ করেছে বিএনপি। তালিকা যাচাই-বাছাই ও আলোচনা শেষে প্রাথমিকভাবে ২৩৭ আসনে প্রার্থী দিয়েছে দলটি। মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনে দলীয় ভাবে মনোনীত ঘোষণা করা হয় মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ১নং সদস্য ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ কে।
এমপি প্রার্থী ঘোষণার পর পরই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সিরাজদিখান ও শ্রীনগর নেতৃবৃন্দ-কর্মী-সমর্থকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ। সেই সাথে কোন রকম বিজয় মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ নিষেধ,শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা দেন৷
তারপরই সাথে সাথে মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মমিন আলীর সাথে ঐক্য গড়তে সাক্ষাৎ করতে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল ধীরেন কুদ্দুসের বাসায় যান। সে সময় আব্দুল ধীরেন কুদ্দুসের বাসায় অবস্থান করছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশী মমিন আলী। বাড়ির সামনে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর সাথে মমিন আলীর দেখা হয় এবং একসাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন৷
অপরদিকে, মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুর সাথে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার ঘোষণা দেন বিএনপির এমপি প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ৷
ইতিমধ্যেই ঐক্যের জন্য ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার মীর সরফত আলী সফুর নিজ এলাকা রাঢ়ীখালে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর একটি বৃহৎ দলীয় অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ অনুষ্ঠানে বাতিল করে ঘোষণা দেন, আমি দলীয় অনুষ্ঠানে সফু ভাইকে নিয়ে একসাথে মঞ্চে উঠতে চাই৷ তাকে ছাড়া আমরা প্রোগ্রাম করতে চাই না৷
গতকাল মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত ১০ টায় বিএনপির মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের এমপি প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিয়ে মীর সরফত আলী সফুর ধানমন্ডির বাসায় দেখা করতে যান। কিন্তু বাসার নিচ তলায় সিকিউরিটি গার্ড রা বাসায় প্রবেশ করতে দেন নি। এবং সফু ভাইকে ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি। সিকিউরিটি গার্ডদের বলা হলে তারা জানান, অনুমতি ছাড়া বাসায় যাওয়া নিষেধ আছে৷প্রায় ১ ঘন্টা বাসার নিচে অপেক্ষা করেও সাক্ষাৎ না পেয়ে চলে আসেন শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ ও মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
এসময় সাংবাদিকদের শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন, "আমার ভিতরে কোন হিংসা বিদ্বেষ নাই। আমি সবাই কে নিয়ে কাজ করতে চাই৷ বিএনপিতে সবার অবধান আছে। কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ নাই৷ আমি সফু ভাই, মমিন ভাই, জাহাঙ্গীর ভাই, ফরহাদ সহ সবাইকে একসাথে চাই৷ একসাথে কাজ করেই আমরা আপোষহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি কে, দেশবাসীকে ধানের শীষের বিজয় উপহার দিতে চাই৷ তাই, আমি আবারও আহবান করবো আসুন আমরা দলের স্বার্থে সবাই একসাথে কাজ করি৷ ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।"
সরেজমিনে দেখা যায়,মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই দিনভর মুন্সীগঞ্জ এক আসনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সকল ভেদাভেদ ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে সকল নেতা-কর্মী, সমর্থক একই কাতারে এসে এমপি প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ কে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন৷
গত সোমবার (০৩ নভেম্বর) আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের একক প্রার্থী নির্ধারণ করেছে বিএনপি। তালিকা যাচাই-বাছাই ও আলোচনা শেষে প্রাথমিকভাবে ২৩৭ আসনে প্রার্থী দিয়েছে দলটি। মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনে দলীয় ভাবে মনোনীত ঘোষণা করা হয় মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ১নং সদস্য ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ কে।
এমপি প্রার্থী ঘোষণার পর পরই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সিরাজদিখান ও শ্রীনগর নেতৃবৃন্দ-কর্মী-সমর্থকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ। সেই সাথে কোন রকম বিজয় মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ নিষেধ,শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা দেন৷
তারপরই সাথে সাথে মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মমিন আলীর সাথে ঐক্য গড়তে সাক্ষাৎ করতে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল ধীরেন কুদ্দুসের বাসায় যান। সে সময় আব্দুল ধীরেন কুদ্দুসের বাসায় অবস্থান করছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশী মমিন আলী। বাড়ির সামনে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর সাথে মমিন আলীর দেখা হয় এবং একসাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন৷
অপরদিকে, মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুর সাথে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার ঘোষণা দেন বিএনপির এমপি প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ৷
ইতিমধ্যেই ঐক্যের জন্য ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার মীর সরফত আলী সফুর নিজ এলাকা রাঢ়ীখালে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর একটি বৃহৎ দলীয় অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ অনুষ্ঠানে বাতিল করে ঘোষণা দেন, আমি দলীয় অনুষ্ঠানে সফু ভাইকে নিয়ে একসাথে মঞ্চে উঠতে চাই৷ তাকে ছাড়া আমরা প্রোগ্রাম করতে চাই না৷
গতকাল মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত ১০ টায় বিএনপির মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের এমপি প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিয়ে মীর সরফত আলী সফুর ধানমন্ডির বাসায় দেখা করতে যান। কিন্তু বাসার নিচ তলায় সিকিউরিটি গার্ড রা বাসায় প্রবেশ করতে দেন নি। এবং সফু ভাইকে ফোন দিলেও রিসিভ করেন নি। সিকিউরিটি গার্ডদের বলা হলে তারা জানান, অনুমতি ছাড়া বাসায় যাওয়া নিষেধ আছে৷প্রায় ১ ঘন্টা বাসার নিচে অপেক্ষা করেও সাক্ষাৎ না পেয়ে চলে আসেন শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ ও মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
এসময় সাংবাদিকদের শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন, "আমার ভিতরে কোন হিংসা বিদ্বেষ নাই। আমি সবাই কে নিয়ে কাজ করতে চাই৷ বিএনপিতে সবার অবধান আছে। কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ নাই৷ আমি সফু ভাই, মমিন ভাই, জাহাঙ্গীর ভাই, ফরহাদ সহ সবাইকে একসাথে চাই৷ একসাথে কাজ করেই আমরা আপোষহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি কে, দেশবাসীকে ধানের শীষের বিজয় উপহার দিতে চাই৷ তাই, আমি আবারও আহবান করবো আসুন আমরা দলের স্বার্থে সবাই একসাথে কাজ করি৷ ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।"
সরেজমিনে দেখা যায়,মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই দিনভর মুন্সীগঞ্জ এক আসনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সকল ভেদাভেদ ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে সকল নেতা-কর্মী, সমর্থক একই কাতারে এসে এমপি প্রার্থী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ কে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন৷
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব