বগুড়ার নন্দীগ্রামে সিঁদ কেটে আব্দুল জোব্বার (৬৫) ও আশরাফুল ইসলাম (৪২) নামের দুই কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে পাঁচটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের পোতাপাড়া গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষক আশরাফুল ইসলাম ও তার চাচা আব্দুল জোব্বার একই বাড়িতে বসবাস করেন। তাদের গরু গুলো পাশাপাশি দুটি গোয়াল ঘরে রাখা ছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে গোয়াল ঘরে গরু দেখে এসে ঘুমিয়ে পরেন তারা। এরপর ভোর সাড়ে চার দিকে ঘুম থেকে উঠে গিয়ে দেখেন, গোয়াল ঘরে রাখা গরুগুলো নেই।
একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল সিঁদ কেটে ভেতরে ঢুকে আব্দুল জোব্বারের তিনটি এবং আশরাফুল ইসলামের দুইটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া পাঁচটি গরুর অনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় চার লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। কৃষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মত গরুগুলো গোয়ালে বেঁধে দরজায় তালা দিয়ে রেখেছিলাম।
আমি রাত একটার দিকে গরু দেখে ঘরে গিয়ে ঘুমাই। পরে ভোরে ঘুম থেকে উঠে গিয়ে দেখি গোয়াল ঘরে রাখা গরুগুলো নেই। তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও গরুগুলো কোন সন্ধান মেলেনি। এবিষয়ে থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফইম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করে হলে তিনি বলেন, চুরির খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। তিনি আরও বলেন, চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারে এবং জড়িতদের শনাক্তে আমরা কাজ করছি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষক আশরাফুল ইসলাম ও তার চাচা আব্দুল জোব্বার একই বাড়িতে বসবাস করেন। তাদের গরু গুলো পাশাপাশি দুটি গোয়াল ঘরে রাখা ছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে গোয়াল ঘরে গরু দেখে এসে ঘুমিয়ে পরেন তারা। এরপর ভোর সাড়ে চার দিকে ঘুম থেকে উঠে গিয়ে দেখেন, গোয়াল ঘরে রাখা গরুগুলো নেই।
একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল সিঁদ কেটে ভেতরে ঢুকে আব্দুল জোব্বারের তিনটি এবং আশরাফুল ইসলামের দুইটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া পাঁচটি গরুর অনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় চার লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। কৃষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মত গরুগুলো গোয়ালে বেঁধে দরজায় তালা দিয়ে রেখেছিলাম।
আমি রাত একটার দিকে গরু দেখে ঘরে গিয়ে ঘুমাই। পরে ভোরে ঘুম থেকে উঠে গিয়ে দেখি গোয়াল ঘরে রাখা গরুগুলো নেই। তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও গরুগুলো কোন সন্ধান মেলেনি। এবিষয়ে থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফইম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করে হলে তিনি বলেন, চুরির খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। তিনি আরও বলেন, চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারে এবং জড়িতদের শনাক্তে আমরা কাজ করছি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব