সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) ক্যাম্পাসে সম্প্রতি মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে তীব্র গরমের মধ্যেই জ্বালানি সংকটের কারণে হলগুলোর জেনারেটর পরিষেবা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।
ক্যাম্পাসজুড়ে মশার উপদ্রব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর খোলা পরিবেশে কিছুক্ষণ অবস্থান করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এদিকে, মশার আক্রমণের কারণে স্বাভাবিক পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
হলে অবস্থানরত এক শিক্ষার্থী বলেন, “সন্ধ্যার পর বাইরে বসে পড়াশোনা করা যায় না। এমনকি ক্লাসরুমেও ঠিকভাবে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।” আরেকজন শিক্ষার্থী জানান, “শুধু রাতেই নয়, দিনের বেলাতেও মশার উপদ্রব তীব্র। মশারি ব্যবহার করেও পুরোপুরি রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। এর সঙ্গে গরমে জেনারেটর না থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।”
শিক্ষার্থীদের ধারণা, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, জমে থাকা পানি এবং ঝোপঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে মশার বংশবিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটের কারণে হলগুলোর জেনারেটর পরিষেবা বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় শিক্ষার্থীরা গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন। শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিয়মিত ফগিং কার্যক্রম চালু করা, ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে—এমনটাই প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের।
নিটারে তীব্র মশার উপদ্রব ও গরমের মধ্যেই জ্বালানি সংকটের জন্য বন্ধ হলগুলোর জেনারেটর পরিষেবা
নিটারে তীব্র মশার উপদ্রব ও গরমের মধ্যেই জ্বালানি সংকটের জন্য বন্ধ হলগুলোর জেনারেটর পরিষেবা
সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) ক্যাম্পাসে সম্প্রতি মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে তীব্র গরমের মধ্যেই জ্বালানি সংকটের কারণে হলগুলোর জেনারেটর পরিষেবা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। ক্যাম্পাসজুড়ে মশার উপদ্রব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর খোলা পরিবেশে কিছুক্ষণ অবস্থান করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এদিকে, মশার আক্রমণের কারণে স্বাভাবিক পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। হলে অবস্থানরত এক শিক্ষার্থী
বলেন, “সন্ধ্যার পর বাইরে বসে পড়াশোনা করা যায় না। এমনকি ক্লাসরুমেও ঠিকভাবে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।” আরেকজন শিক্ষার্থী জানান, “শুধু রাতেই নয়, দিনের বেলাতেও মশার উপদ্রব তীব্র। মশারি ব্যবহার করেও পুরোপুরি রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। এর সঙ্গে গরমে জেনারেটর না থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।” শিক্ষার্থীদের ধারণা, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, জমে থাকা
পানি এবং ঝোপঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে মশার বংশবিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটের কারণে হলগুলোর জেনারেটর পরিষেবা বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় শিক্ষার্থীরা গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন। শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিয়মিত ফগিং কার্যক্রম চালু করা, ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে—এমনটাই প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত