বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিটার ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেলগুলোতে জেনারেটর সংযোগের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নিটার কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন পূর্বে জেনারেটর ক্রয় করা হলেও সেটি ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে এবং সংযোগ কার্যক্রম শুরু করতে বেশ সময় লেগে যায়।
জানা গেছে, জেনারেটরটি নিটার ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পর দীর্ঘদিন ধরে এটি সংযোগ স্থাপনের নির্ধারিত কক্ষে অক্রিয় অবস্থায় পড়ে ছিল। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। সংযোগে বিলম্বের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ কিংবা নিটার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা না পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অস্পষ্ট হয়ে পড়ে।
তবে আশার খবর হচ্ছে, অবশেষে হোস্টেলগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেনারেটর সংযোগের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে নিটার প্রশাসন সম্প্রতি একটি দরপত্র আহ্বান করলে, বাংলাদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘এনার্জিপ্যাক’ সংযোগ স্থাপনের দায়িত্ব গ্রহণ করে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে আগামী ৪ই জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ সংযোগ কার্যক্রম শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললে তারা এ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে অনেকে মত দেন, এই সংযোগ আরও আগেই প্রয়োজন ছিল। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি সইতে হয়েছে, যা সময়মতো জেনারেটর সংযোগ থাকলে অনেকটাই এড়ানো যেত।
নিটার প্রশাসনের এই উদ্যোগকে শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানালেও ভবিষ্যতে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যেন সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সে আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
জানা গেছে, জেনারেটরটি নিটার ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পর দীর্ঘদিন ধরে এটি সংযোগ স্থাপনের নির্ধারিত কক্ষে অক্রিয় অবস্থায় পড়ে ছিল। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। সংযোগে বিলম্বের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ কিংবা নিটার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা না পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও অস্পষ্ট হয়ে পড়ে।
তবে আশার খবর হচ্ছে, অবশেষে হোস্টেলগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেনারেটর সংযোগের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে নিটার প্রশাসন সম্প্রতি একটি দরপত্র আহ্বান করলে, বাংলাদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘এনার্জিপ্যাক’ সংযোগ স্থাপনের দায়িত্ব গ্রহণ করে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে আগামী ৪ই জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ সংযোগ কার্যক্রম শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললে তারা এ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে অনেকে মত দেন, এই সংযোগ আরও আগেই প্রয়োজন ছিল। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি সইতে হয়েছে, যা সময়মতো জেনারেটর সংযোগ থাকলে অনেকটাই এড়ানো যেত।
নিটার প্রশাসনের এই উদ্যোগকে শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানালেও ভবিষ্যতে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যেন সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সে আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব