বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন নির্বাচনে আগে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার বলে।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গোটা দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। কিন্তু আইনশৃঙ্খা পরিস্থিতি যেটা দাঁড়িয়েছে সেটাতে আমি খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারছি না। কারণ যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুন করা হচ্ছে; বিশেষ করে আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের খুনের ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করবো সরকার এ ব্যাপারে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। সেই সঙ্গে এসব ঘটনার যাতে পুনারাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে তারা আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।
উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের সফর সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গের সফর ব্যক্তিগত। তিনি আসছেন নিজের দেশে বগুড়াতে। তারপর তিনি শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে দিনাজপুরে যাবেন তার নানির কবর জিয়ারত করতে। পরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে আসবেন। এরপর তিনি পর্যায়েক্রমে কয়েকটি জেলা ঘুরে ঢাকায় ফিরবেন।
তারেক রহমান যখন ঢাকায় আসেন তাকে সংবর্ধনা জানাতে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ জমায়েত হয়েছিল। এখন যেহেতু তারেক রহমান গ্রামাঞ্চলে আসছেন সেহেতু স্বাভাবিক ভাবেই নেতাকর্মীরা অনেক বেশি উজ্জিবিত হবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটের প্রভাব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরবে না এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কখনও বা কোনোদিনই প্রভাব ফেলেনি। আমরা আশা করি এবারও কোনো প্রভাব ফেলবে না।
তিনি বলেন, অনেক অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো তারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তারা কাজ করার সুযোগ পায়নি। বিশেষ করে আমাদের ছাত্রদল তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি, তাদেরকে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছিল। যার ফলে সেখানে এই ছাত্রসংগঠনগুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি।
এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গোটা দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। কিন্তু আইনশৃঙ্খা পরিস্থিতি যেটা দাঁড়িয়েছে সেটাতে আমি খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারছি না। কারণ যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে খুন করা হচ্ছে; বিশেষ করে আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের খুনের ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করবো সরকার এ ব্যাপারে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। সেই সঙ্গে এসব ঘটনার যাতে পুনারাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে তারা আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।
উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের সফর সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গের সফর ব্যক্তিগত। তিনি আসছেন নিজের দেশে বগুড়াতে। তারপর তিনি শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে দিনাজপুরে যাবেন তার নানির কবর জিয়ারত করতে। পরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে আসবেন। এরপর তিনি পর্যায়েক্রমে কয়েকটি জেলা ঘুরে ঢাকায় ফিরবেন।
তারেক রহমান যখন ঢাকায় আসেন তাকে সংবর্ধনা জানাতে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ জমায়েত হয়েছিল। এখন যেহেতু তারেক রহমান গ্রামাঞ্চলে আসছেন সেহেতু স্বাভাবিক ভাবেই নেতাকর্মীরা অনেক বেশি উজ্জিবিত হবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটের প্রভাব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরবে না এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কখনও বা কোনোদিনই প্রভাব ফেলেনি। আমরা আশা করি এবারও কোনো প্রভাব ফেলবে না।
তিনি বলেন, অনেক অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো তারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তারা কাজ করার সুযোগ পায়নি। বিশেষ করে আমাদের ছাত্রদল তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি, তাদেরকে কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছিল। যার ফলে সেখানে এই ছাত্রসংগঠনগুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি।
এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।