বুধবার সকাল ১১ টায় নিরাপদ সেতু আমার অধিকার এই স্লোগানে ঝালকাঠি বন্ধুসভার জেলা সভাপতি শাকিল রনি সভাপতিত্বে ও রাহাত মাঝির সঞ্চালনায় বাসন্ডা সেতুর উপর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা নদীর ওপর অবস্থিত বেইলি সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সেতুটি কেঁপে ওঠে এবং জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও এখনো নতুন পাকা সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
বন্ধুসভার সাবেক সাধারন সম্পাদক প্রশান্ত দাস হরি বলেন আশির দশকে নির্মিত এই ১৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুটি ৩৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত ভারী যানসহ হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে, যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
উপদেষ্টা ও আইনজীবী সাকিনা আলম লিজা বলেন ৭ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্রীজটিতে প্রতিদিন উঠছে ৭০ থেকে ৮০ টন ওজনের যান। সড়ক বিভাগের নোটিশে অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে সেতু পারাপারে নিষেধের তোয়াক্কা নেই কারো। এবিষয়ে কর্তপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বক্তব্য উপদেষ্টা আফজাল হোসেন বলেন বরিশাল খুলনা মহাসড়কের বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে পিরোজপুর পর্যন্ত ৪ লেন সড়কটি অত্যন্ত জরুরী। এতে একদিকে বাসন্ডা নদীর সেতুতে যেমনি যানবাহনের চাপ কমবে তেমনি এই তিন জেলার সড়ক পথে যানজটের নিরসন হবে তাই আমরা এই বাসন্ডা বেইলী ব্রিজ দ্রুত ভেঙে সেতু তৈরীর আহ্বান জানিয়েছি সেতু কর্তপক্ষের কাছে।
বক্তব্য আইনজীবী মুশফিকুর রহমান বাবু বলেন ৭ বছর আগে এটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও অদ্যবদি নতুন সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও সেতু বিভাগ। বরং প্রতিবছর সেতু সংস্কারে ব্যয় করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। শেষ পাঁচ বছরেই সেতুটি সংস্কারে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা।
বক্তব্য শাকিল রনি বলেন সেতুটি এতোটাই ঝুঁকিপূর্ণ আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আজকে এখানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে আসছি শুধু মাত্র ঝালকাঠিবাসীসহ সকলের চিন্তা করে, কারন সেতুর বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য জোড়াতালি। সেতু পুরোনো হয়ে যাওয়ায় কয়েক মাস পরপর সেতুতে মেরামতের কাজ করতে হয়। ভারী যানবাহন উঠলেই সেতুটি দুলতে থাকে। তাই আমাদের দাবী হচ্ছে যাতে এই পুরানো সেতু ভেঙে দ্রুত নতুন ৪ লেনের সেতু করা হয়।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলো প্রচার সম্পাদক শাহরিয়ার ইসলাম সিমান্ত বন্ধু রবীন্দ্রনাথ মল্লিক, হৃদয় কর্মকার, ফাহিমা আক্তার রিমা, মোঃ মেহেদী, প্রদীপ কর, মোঃ রাকিব, কেয়া আক্তার, আব্দুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, মোঃ নাসিরসহ অন্য বন্ধুরা....
নিরাপদ সেতুর দাবীতে ঝালকাঠী বন্ধুসভার মানববন্ধন
নিরাপদ সেতুর দাবীতে ঝালকাঠী বন্ধুসভার মানববন্ধন
বুধবার সকাল ১১ টায় নিরাপদ সেতু আমার অধিকার এই স্লোগানে ঝালকাঠি বন্ধুসভার জেলা সভাপতি শাকিল রনি সভাপতিত্বে ও রাহাত মাঝির সঞ্চালনায় বাসন্ডা সেতুর উপর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা নদীর ওপর অবস্থিত বেইলি সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সেতুটি কেঁপে ওঠে এবং জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও এখনো নতুন পাকা সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। বন্ধুসভার সাবেক সাধারন সম্পাদক প্রশান্ত দাস হরি বলেন আশির দশকে নির্মিত এই ১৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুটি ৩৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত ভারী যানসহ হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে, যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। উপদেষ্টা ও আইনজীবী
সাকিনা আলম লিজা বলেন ৭ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্রীজটিতে প্রতিদিন উঠছে ৭০ থেকে ৮০ টন ওজনের যান। সড়ক বিভাগের নোটিশে অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে সেতু পারাপারে নিষেধের তোয়াক্কা নেই কারো। এবিষয়ে কর্তপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বক্তব্য উপদেষ্টা আফজাল হোসেন বলেন বরিশাল খুলনা মহাসড়কের বরিশাল থেকে ঝালকাঠি হয়ে পিরোজপুর পর্যন্ত ৪ লেন সড়কটি অত্যন্ত জরুরী। এতে একদিকে বাসন্ডা নদীর সেতুতে যেমনি যানবাহনের চাপ কমবে তেমনি এই তিন জেলার সড়ক পথে যানজটের নিরসন হবে তাই আমরা এই বাসন্ডা বেইলী ব্রিজ দ্রুত ভেঙে সেতু তৈরীর আহ্বান জানিয়েছি সেতু কর্তপক্ষের কাছে। বক্তব্য আইনজীবী মুশফিকুর রহমান বাবু বলেন ৭ বছর আগে এটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও অদ্যবদি নতুন সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও সেতু বিভাগ। বরং প্রতিবছর সেতু সংস্কারে ব্যয় করা
হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। শেষ পাঁচ বছরেই সেতুটি সংস্কারে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। বক্তব্য শাকিল রনি বলেন সেতুটি এতোটাই ঝুঁকিপূর্ণ আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আজকে এখানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে আসছি শুধু মাত্র ঝালকাঠিবাসীসহ সকলের চিন্তা করে, কারন সেতুর বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য জোড়াতালি। সেতু পুরোনো হয়ে যাওয়ায় কয়েক মাস পরপর সেতুতে মেরামতের কাজ করতে হয়। ভারী যানবাহন উঠলেই সেতুটি দুলতে থাকে। তাই আমাদের দাবী হচ্ছে যাতে এই পুরানো সেতু ভেঙে দ্রুত নতুন ৪ লেনের সেতু করা হয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলো প্রচার সম্পাদক শাহরিয়ার ইসলাম সিমান্ত বন্ধু রবীন্দ্রনাথ মল্লিক, হৃদয় কর্মকার, ফাহিমা আক্তার রিমা, মোঃ মেহেদী, প্রদীপ কর, মোঃ রাকিব, কেয়া আক্তার, আব্দুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, মোঃ নাসিরসহ অন্য বন্ধুরা....
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত