নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিসে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের মনোনয়ন বৈধতার পরেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার তাঁর প্রার্থীতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তদন্ত সাপেক্ষে তা মঞ্জুর করে জাপা প্রার্থীর পক্ষে রায় দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের রায়ের খবরটি সৈয়দপুর সহ নীলফামারী-৪ আসনে ছড়িয়ে পরলে সাথে সাথে নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মাঝে আনন্দ বয়ে যায়।
জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, আমি কোন দুর্নীতিবাজ নই। নই কোন সন্ত্রাসী। আল্লাহ পাক এর রহমতে ও নির্বাচন কমিশনের ন্যায় বিচারে নির্বাচনী মাঠে ফিরে আসায় মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
তিনি আরো বলেন, আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও আইনী হয়রানির জবাব জনগণ ব্যালটে দিবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি আমাকে মিথ্যা অপবাদে হয়রানি করছেন জনগন তাঁকে ভোটের মাধ্যমে ছুড়ে ফেলে দিবেন বলে আমার বিশ্বাস।
জেলা রিটার্নিং অফিসে জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের মনোনয়ন বৈধতার পরেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকার তাঁর প্রার্থীতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তদন্ত সাপেক্ষে তা মঞ্জুর করে জাপা প্রার্থীর পক্ষে রায় দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের রায়ের খবরটি সৈয়দপুর সহ নীলফামারী-৪ আসনে ছড়িয়ে পরলে সাথে সাথে নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মাঝে আনন্দ বয়ে যায়।
জাপা প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, আমি কোন দুর্নীতিবাজ নই। নই কোন সন্ত্রাসী। আল্লাহ পাক এর রহমতে ও নির্বাচন কমিশনের ন্যায় বিচারে নির্বাচনী মাঠে ফিরে আসায় মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
তিনি আরো বলেন, আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও আইনী হয়রানির জবাব জনগণ ব্যালটে দিবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি আমাকে মিথ্যা অপবাদে হয়রানি করছেন জনগন তাঁকে ভোটের মাধ্যমে ছুড়ে ফেলে দিবেন বলে আমার বিশ্বাস।