ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী টিয়ারা আয়েশা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন উত্তেজনা। শুরুতে সর্বসম্মতিক্রমে সিলেকশনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হলেও, স্থানীয় একটি পক্ষের বিরোধিতায় শেষ পর্যন্ত তা গড়িয়েছে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য কয়েক গ্রামের সবার মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম নয়ন-কে সভাপতি করে একটি সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়। তবে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হোসেন আহমেদ এবং তার ছোট ভাই আহমেদ হোসেন এর বিরোধিতার কারণে সেই সিলেকশন প্রক্রিয়াটি আর টিকেনি, ফলে বিষয়টি নির্বাচনের পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত ২১ অক্টোবর সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন প্রার্থীরা। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল কার্যক্রম চলে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
এ বিষয়ে টিয়ারা গ্রামের প্রবীণ সমাজসেবক আব্দুল হক ইব্রাহিম মিয়াসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন,
“বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন শিক্ষিত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম নয়নকে সভাপতি করে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছিল। অথচ কিছু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তির বিরোধিতায় সেটি ভেস্তে গেল।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য কয়েক গ্রামের সবার মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম নয়ন-কে সভাপতি করে একটি সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়। তবে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হোসেন আহমেদ এবং তার ছোট ভাই আহমেদ হোসেন এর বিরোধিতার কারণে সেই সিলেকশন প্রক্রিয়াটি আর টিকেনি, ফলে বিষয়টি নির্বাচনের পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত ২১ অক্টোবর সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন প্রার্থীরা। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল কার্যক্রম চলে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
এ বিষয়ে টিয়ারা গ্রামের প্রবীণ সমাজসেবক আব্দুল হক ইব্রাহিম মিয়াসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন,
“বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন শিক্ষিত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম নয়নকে সভাপতি করে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছিল। অথচ কিছু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তির বিরোধিতায় সেটি ভেস্তে গেল।”
তারা অভিযোগ করেন, সাবেক চেয়ারম্যান হোসেন আহমেদ ও তার ছোট ভাই আহমেদ হোসেন এলাকার বাইরে থেকে প্রভাব খাটিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়াকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।
শিক্ষাবিদ ও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক বিরোধিতার অঙ্গনে পরিণত করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার পরিবেশ ও মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা সকল পক্ষকে সংযম ও আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব